কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রথমবার সেমেস্টার প্রক্রিয়ায় হওয়া উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। আপাতত সরকারিভাবে কোনও দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি সংসদের তরফে। তারইমধ্যে আলোচনা চলছে যে ২০২৭ সাল থেকে সেমেস্টার প্রথা বাতিল হয়ে যাবে কিনা?
উচ্চমাধ্যমিকের সেমেস্টার প্রথা কি বাতিল হয়ে যাচ্ছে? একটি মহলে এমনই জল্পনা চলছে। বিষয়টি নিয়ে আপাতত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে কিছু বলা না হলেও এরকম নোটিশ জারি করা হয়নি। সেই আবহে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, টসেমিস্টার প্রথা বাতিল হচ্ছে বলে সংসদের নোটিশ চতুর্দিকে ছড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে এটা সত্য নয়।' একইসুরে যাদবপুর বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম বৈদ্য বলেছেন, ‘আজ সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি (যাতে ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল তারিখ দেওয়া আছে) ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে যে ২০২৭ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা থেকে সেমিস্টার পদ্ধতি বাতিল করা হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব। পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এ ধরণের কোনও নোটিশ দেয়নি। নতুন সিলেবাস ও সেমেস্টার পদ্ধতি নির্ধারিত নিয়মেই কার্যকর থাকছে।’
সেমেস্টার প্রথা বাতিলের দাবি উঠেছে
কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রথমবার সেমেস্টার প্রক্রিয়ায় হওয়া উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
তারইমধ্যে সেমেস্টার প্রথা বাতিলের দাবি তুলেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘বাস্তবে এই সেমেস্টার প্রথা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ভিতটাকে একেবারে শেষ করে দিয়েছে। প্রথম থেকেই এই প্রথা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছি আমরা।’
কেন বাতিল করা উচিত সেমেস্টার প্রথা? কী বললেন শিক্ষক?
কেন সেই সেমেস্টার প্রথা বাতিলের দাবি তুলেছেন, সেই ব্যাখ্যা করেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর মতে, ‘(সেমেস্টার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে) একদিকে সময় কম পাচ্ছে পড়ুয়ারা। অন্যদিকে তাদের পুরোপুরি টিউশন নির্ভর করে তোলা হয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীরা ভীষণভাবে স্কুল বিমুখ হয়ে গিয়েছে। সেমেস্টার প্রথা তুলে দিয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ভিত্তিতে উচ্চমাধ্যমিক ফিরিয়ে আনা দরকার।’
আর তিনি যে যুক্তি দিয়েছেন, সেটার সঙ্গে একমত বিশেষজ্ঞদের একাংশও। পড়ুয়া এবং অভিভাবকরাও একাধিকবার অভিযোগ তুলেছেন যে নির্দিষ্ট সময় মতো বই পাওয়া যাচ্ছে না। এত কম সময় মিলছে যে সিলেবাস শেষ করাই দুষ্কর হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও সংসদের তরফে দাবি করা হয় যে এবার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সময়ের হেরফের হয়েছে। আর বইয়ের সমস্যা একমাত্র প্রথম সেমেস্টারেই ছিল বলে দাবি করা হয়।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।