TMC Rebel Sudip Banerjee: জুলাইয়েই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতছাড়া হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস? তেমনই ইঙ্গিত দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দিল্লিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাতের পরে অনামী ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করে সুদীপ বলেন, 'এটাই সিস্টেম। যখন আপনার কাছে দলের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ থাকে, তো প্রথমদিনই বলা যায় না আমাদের দলের নাম দিয়ে দিন। জুলাইয়ে আমরা দাবি জানাব যে আমাদের হাতে তৃণমূল দিয়ে দিন। কারণ তৃণমূল (সাংসদদের) দুই-তৃতীয়াংশ আমাদের কাছে আছে। তারপর আদালতে যাওয়া হবে। আদালতই সিদ্ধান্ত নেবে।'
আমরা NDA-র সঙ্গে কাজ করবে, দাবি করেছেন কাকলি

আর সেই মন্তব্যের আগে লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেছেন সুদীপ-সহ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। সেই সাক্ষাতের পরে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেছেন, 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত আমরা ২০ জন সাংসদ স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে আলাদাভাবে বসার অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি জমা দিয়েছি। আমাদের হাতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ আছেন। আমরা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টির সঙ্গে মিশে যাচ্ছি। আগামিদিনে আমরা দেশের জন্য কাজ করব এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এনডিএয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করব।'
NCPI-র রাজনৈতিক কার্যক্রম বেশি নয়
যে দলে কাকলিরা যোগ দিচ্ছেন, সেটির নাম আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার আগে পশ্চিমবঙ্গের ঠিক কয়েকজন এই রাজনৈতিক দলের নাম জানতেন, তা সম্ভবত হাতে গুনে বলে দেওয়া যাবে। যে দল নির্বাচনে লড়াই করলেও রাজ্য দল বা জাতীয় দলের স্বীকৃতি পায়নি। ফলে নির্দিষ্ট কোনও প্রতীকও নেই। ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনের তরফে 'রেজিস্টার্ড আন রেকগনাইজড পলিটিক্যাল পার্টি'-র স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
পরিচিতি কার্যত নেই NCPI-র
{{/usCountry}}পরিচিতি কার্যত নেই NCPI-র
{{/usCountry}}আবার ওই ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (Nationalist Citizens Party of India) নামে ফেসবুকে যে পেজ আছে, তাতে মাত্র ৭৪ জন ফলোয়ার আছেন (আজ রাত ৮ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত)। ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি শেষবার ওই ফেসবুক পেজ থেকে কোনও পোস্ট করা হয়েছিল। তার আগের একটি পোস্টে আবার বলা হয়েছিল যে ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করছে এনসিপিআই। সেজন্য বরাদ্দ করা হয়েছে প্রতীক। আর প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছিল পেনের নিব ও আলোর সাতটি রশ্মি।