...
...
Next Story

West Bengal Assembly Election & SIR: ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে দেওয়া হল নির্বাচনের দায়িত্ব!

রিপোর্ট অনুযায়ী, জগদীশ রায় নামে সেই ব্যক্তি পেশায় শিক্ষক। তিনি মুন্সী প্রেমচাঁদ কলেজে বাংলা পড়ান। আবার চম্পাসারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা তৃণমূল নেতা। এহেন জগদীশকে নির্বাচনে থার্ড পোলিং অফিসারের ডিউটি দেওয়া হয়েছে।

Published on: Mar 29, 2026, 09:00:12 IST
Advertisement

ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই নাম বাদ পড়েছে। কিন্তু সেই ব্যক্তিকেই নাকি আবার আসন্ন নির্বাচনে থার্ড পোলিং অফিসারের ডিউটি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে। রিপোর্ট অনুযায়ী, জগদীশ রায় নামে সেই ব্যক্তি পেশায় শিক্ষক। তিনি মুন্সী প্রেমচাঁদ কলেজে বাংলা পড়ান। আবার চম্পাসারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা তৃণমূল নেতা।

ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জগদীশ রায়কে নির্বাচনে থার্ড পোলিং অফিসারের ডিউটি দেওয়া হয়েছে। (Somnath Sen)
ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জগদীশ রায়কে নির্বাচনে থার্ড পোলিং অফিসারের ডিউটি দেওয়া হয়েছে। (Somnath Sen)

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জগদীশ রায় বলেন, 'একদিকে কমিশন আমার নাম কেটে দিল। অপরদিকে ভোটের দায়িত্ব দিচ্ছে। আমি যদি বৈধ নাগরিক না হয়ে থাকি তাহলে আমাকে ভোটের ডিউটিতে কেন রাখা হচ্ছে? তাছারা আমি তৃণমূলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য। যে শাসকে এত এলার্জি তাঁকে দিয়ে ভোট করাবে কমিশন? ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার বাবা-মায়ের নাম রয়েছে। বাবা-মা ভোট দিয়েছেন। এখনকার তালিকাতেও বাবা-মায়ের নাম রয়েছে, আমার নেই। আমাকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছিল। সব নথি দিয়েছি। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদীতভাবে বিজেপি আমার নামটা বাদ দিয়েছে।'

উল্লেখ্য, বাংলায় এসআইআরের 'চূড়ান্ত তালিকায়' ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে গোটা রাজ্যে বাদ পড়ে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। এই সব ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্মই জমা পড়েনি। তাই খসড়া তালিকা থেকেই বাদ পড়েছিল তাদের নাম। এর মধ্য়ে মৃত ভোটার ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২, নিখোঁজ ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন, স্থানান্তরিত রয়েছেন ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন, ভুয়ো ভোটার ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন এবং অন্যান্য ৫৭ হাজার জন। তারপর 'চূড়ান্ত তালিকায়' আরও প্রায় ৫ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ে। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে বিচারাধীন ভোটারদের যোগ্যতা বিচার করতে বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। সেই মতো বিচারাধীন থাকা ভোটারদের নথি যাচাই বাছাই করে তা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। আর একেক করে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হতেই রাজ্য জুড়ে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe