...
...
Next Story

West Bengal Assembly Election: 'বাংলাদেশি মুসলিমদের পক্ষে মমতা… আগামী ২০ বছর নির্বাচনের ইস্যু হবে ডেমোগ্রাফি'

West Bengal Assembly Election: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, বিজেপি হিন্দু-মুসলিমদের কথা বলে না, তবে তাদের বিরোধিতা কেবল বাংলাদেশি মুসলমানদের প্রতি। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার প্রায় ২৭ শতাংশ মুসলিম। এই মুসলিমদের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশি মুসলিম, যারা তৃণমূল কংগ্রেসের ভিত্তি।

Published on: Apr 22, 2026, 08:45:12 IST
Advertisement

West Bengal Assembly Election: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের বাকি আর কয়েক ঘণ্টা। এর ঠিক আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলার রাজনীতিতে জনসংখ্যা এবং তোষণের প্রভাব নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন। মঙ্গলবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় হিমন্ত মেরুকরণের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে বাংলাদেশি মুসলমানদের প্রতি নমনীয় হওয়ার অভিযোগ করেন। এর আগে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার ভাষণকে 'সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক' আখ্যা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছিল। হিমন্ত অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে তারা কেবল স্থানীয় মুসলিম এবং হিন্দুদের স্বার্থের কথা বলছে।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোপুরি বাংলাদেশি মুসলমানদের পক্ষে।' (Hindustan Times)
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোপুরি বাংলাদেশি মুসলমানদের পক্ষে।' (Hindustan Times)

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, বিজেপি হিন্দু-মুসলিমদের কথা বলে না, তবে তাদের বিরোধিতা কেবল বাংলাদেশি মুসলমানদের প্রতি। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার প্রায় ২৭ শতাংশ মুসলিম। এই মুসলিমদের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশি মুসলিম, যারা তৃণমূল কংগ্রেসের ভিত্তি। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোপুরি বাংলাদেশি মুসলমানদের পক্ষে। বাংলা, অসম এবং বিহারে আগামী ২০ বছরের জন্য নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হবে ডেমোগ্রাফি। এখানকার স্থানীয়রা প্রতিদিন লড়াই করছে। যারা দিল্লিতে আছে, তারা এর প্রভাব অনুভব করি না।'

এদিকে সংসদে নারি সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিল পাশ না হওয়া নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা করেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য বিরোধীদের জবাব দিতে হবে তরুণী এবং শিক্ষার্থীদের। তাঁর কথায়, ভৌগোলিক এবং জাতিগত আকাঙ্ক্ষার কারণে বর্তমানের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে মহিলা সংরক্ষণ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, তাই আসন সংখ্যা বাড়ানো দরকার ছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe