West Bengal Assembly Election: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের বাকি আর কয়েক ঘণ্টা। এর ঠিক আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলার রাজনীতিতে জনসংখ্যা এবং তোষণের প্রভাব নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন। মঙ্গলবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় হিমন্ত মেরুকরণের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে বাংলাদেশি মুসলমানদের প্রতি নমনীয় হওয়ার অভিযোগ করেন। এর আগে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার ভাষণকে 'সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক' আখ্যা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছিল। হিমন্ত অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে তারা কেবল স্থানীয় মুসলিম এবং হিন্দুদের স্বার্থের কথা বলছে।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, বিজেপি হিন্দু-মুসলিমদের কথা বলে না, তবে তাদের বিরোধিতা কেবল বাংলাদেশি মুসলমানদের প্রতি। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার প্রায় ২৭ শতাংশ মুসলিম। এই মুসলিমদের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশি মুসলিম, যারা তৃণমূল কংগ্রেসের ভিত্তি। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোপুরি বাংলাদেশি মুসলমানদের পক্ষে। বাংলা, অসম এবং বিহারে আগামী ২০ বছরের জন্য নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হবে ডেমোগ্রাফি। এখানকার স্থানীয়রা প্রতিদিন লড়াই করছে। যারা দিল্লিতে আছে, তারা এর প্রভাব অনুভব করি না।'
এদিকে সংসদে নারি সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিল পাশ না হওয়া নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা করেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য বিরোধীদের জবাব দিতে হবে তরুণী এবং শিক্ষার্থীদের। তাঁর কথায়, ভৌগোলিক এবং জাতিগত আকাঙ্ক্ষার কারণে বর্তমানের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে মহিলা সংরক্ষণ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, তাই আসন সংখ্যা বাড়ানো দরকার ছিল।
পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের তুলনা করে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেন, অসমের অর্থনীতি ১৫-১৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর বাংলার অর্থনীতি বৃদ্ধির হার ৯-১০ শতাংশ। কলকাতা এবং অসমের সরকারি হাসপাতালগুলির তুলনা করে তিনি বলেন, দুই জায়গার হাতাপাতালের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন, কলকাতা একসময় ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ছিল, কিন্তু আজ বাংলা থেকে মানুষ কাজের সন্ধানে গুজরাট এবং দিল্লিতে চলে যাচ্ছেন।
{{/usCountry}}পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের তুলনা করে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেন, অসমের অর্থনীতি ১৫-১৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর বাংলার অর্থনীতি বৃদ্ধির হার ৯-১০ শতাংশ। কলকাতা এবং অসমের সরকারি হাসপাতালগুলির তুলনা করে তিনি বলেন, দুই জায়গার হাতাপাতালের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন, কলকাতা একসময় ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ছিল, কিন্তু আজ বাংলা থেকে মানুষ কাজের সন্ধানে গুজরাট এবং দিল্লিতে চলে যাচ্ছেন।
{{/usCountry}}