বামফ্রন্টের সঙ্গে আইএসএফের জোট নিয়ে আপত্তি ছিল বেশ কিছু দলের। তবে সিপিএম বেশ আগ্রহী আইএসএফের সঙ্গে জোট করতে। সেই সিপিএমেরই ওপর চাপ সৃষ্টি করে প্রার্থী প্রত্যাহার করাল নওশাদ সিদ্দিকির দল। জানা গিয়েছে, পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করল সিপিআইএম। একদা এই আসনটি ছিল সিপিআইয়ের কাছে। এবার সিপিআইয়ের বদলে পাঁশকুড়া পশ্চিম থেকে প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। তবে সেখানে আইএসএফ নিজেদের প্রার্থী দেয়। শেষে আইএসএফের চাপে পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নিজেদের প্রার্থী প্রত্যাহার করল সিপিএম।

রিপোর্ট অনুযায়ী, পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দলীয় সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি। আর এই কেন্দ্রে আইএসএফের প্রার্থী আফজল আলি শাহ। এই কেন্দ্রে নিরঞ্জন সিহির সমর্থনে দেওয়াল লিখন, পতাকা বাঁধা সবই চলছিল। তবে গত ১ এপ্রিল নাকি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সিপিএম নেতৃত্বের কাছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের বার্তা যায়, এই আসনটি আইএসএফকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তাই নিরঞ্জন সিহিকে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে হবে। এদিকে এই সিদ্ধান্তে জেলা নেতৃত্বের মধ্যে চাপানউতোর থাকলেও তা মেনে নিয়েছেন নিরঞ্জন।
নিরঞ্জন বলেন, 'প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা হওয়ার পর প্রচার করতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু রাজ্য বামফ্রন্টের নির্দেশকে শিরোধার্য। আর প্রচার করব না। কর্মীরা সাময়িক ভেঙে পড়েছে তবে তা ঠিক হয়ে যাবে।' এদিকে পশ্চিম পাঁশকুড়ার আইএসএফ প্রার্থী আফজল শাহ বলেন, 'সিপিএমের জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহিকে আমি সম্মান করি। আমি ওনার কাছে যাব।' উল্লেখ্য, এবার ২৫২টি আসনে লড়ছে বামফ্রন্ট। এছাড়া সিপিআইএমএলের জন্য থাকছে ৮টি আসন। অন্যদিকে আইএসএফের জন্য থাকছে ৩০ আসন।
এদিকে সিপিএমের এভাবে প্রার্থী প্রত্যাহার প্রসঙ্গে পাঁশকুড়া পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী সিন্টু সেনাপতি বলেন, 'এটা বামফ্রন্টের নিজস্ব ব্যাপার। পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা বিজেপি জয়ী হবে।' এদিকে তৃণমূল আবার সিপিএমের প্রার্থী প্রত্যাহারকে রাম-বাম সমীকরণের অঙ্কের নিরিখে দেখছে। এই নিয়ে তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন, 'সিপিএমের জেলা সম্পাদকের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করা প্রমাণ করে দিল বর্তমানে যে রাম সেই এখন বাম আবার যে বাম সেই এখন রাম। বাম এবং রামেদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে।'
{{/usCountry}}এদিকে সিপিএমের এভাবে প্রার্থী প্রত্যাহার প্রসঙ্গে পাঁশকুড়া পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী সিন্টু সেনাপতি বলেন, 'এটা বামফ্রন্টের নিজস্ব ব্যাপার। পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা বিজেপি জয়ী হবে।' এদিকে তৃণমূল আবার সিপিএমের প্রার্থী প্রত্যাহারকে রাম-বাম সমীকরণের অঙ্কের নিরিখে দেখছে। এই নিয়ে তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন, 'সিপিএমের জেলা সম্পাদকের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করা প্রমাণ করে দিল বর্তমানে যে রাম সেই এখন বাম আবার যে বাম সেই এখন রাম। বাম এবং রামেদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে।'
{{/usCountry}}