কালিয়াচকে বিচারকদের ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় দলের প্রার্থী গ্রেফতার হতেই পালটা তোপ দাগলেন বিদায়ী আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির সঙ্গে মিলে রয়েছে। এদিকে 'বিজেমূল' তত্ত্ব ছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নিশানা করে নওশাদ বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী আগে বলেছিলেন এ রাজ্যে সিএএ বা এনআরসি হতে দেবেন না, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কয়েক লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।' এরই সঙ্গে রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, কালিয়াচক কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন মোথাবাড়ি কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী শাহজাহান আলি কাদরি। তবে শাহজাহানের দাবি, তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। আইএসএফ নেতার দাবি, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, অন্য একটি গ্রামে ছিলেন। এই আবহে শাহজাহানের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন, 'অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে লাভ হবে না। নির্বাচনে আইএসএফ-এর জয়ের সম্ভাবনা দেখে ভয় পেয়েছে দুই প্রধান দল। তাই পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে এই ঘটনায় আইএসএফ-এর নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।' এরই সঙ্গে সেই ঘটনায় তিনি বিডিও-র ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
কালিয়াচক কাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে আইএসএফ নেতা বলেন, 'কোন সংস্থা তদন্ত করছে সেটি বড় কথা নয়, বড় কথা হল তদন্ত যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয়। গণতান্ত্রিক দেশে সবার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রয়েছে। খ্যমন্ত্রী আগে বলেছিলেন এ রাজ্যে সিএএ বা এনআরসি হতে দেবেন না, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কয়েক লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাতিল না হয়, তা নিশ্চিত করতে আইএসএফ রাস্তাতেই থাকবে।'
এদিকে কালিয়াচকে বিডিও অফিসে ৭ বিচারককে ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় এআইএমআইএম নেতা তথা আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে গত ৩ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয় বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে। সব মিলিয়ে এই মামলায় ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ এপ্রিল বিকেল ৪টে থেকে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বহু মানুষ। সেই সময় বিডিও অফিসে ছিলেন ৭ জন বিচারক। গভীর রাত পর্যন্ত এই সব বিচারকদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা। সেই ঘটনার নেপথ্যে অন্যতম 'মাথা' এই মোফাক্কেরুল ছিল বলে অভিযোগ। প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে ঘেরাও ছিলেন ৭ বিচারক। প্রায় মধ্যরাতে সেই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পরও বিচারকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস থেকে যখন বিচারকদের পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সেই কনভয়ে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ কনভয়ের গাড়ির কাচ ভেঙেছে সেই হামলায়। সেই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার মূলচক্রী হিসাবে মোফাক্কেরুলের নাম উঠে আসে। নাম জড়ায় আইএসএফ প্রার্থীরও।
{{/usCountry}}এদিকে কালিয়াচকে বিডিও অফিসে ৭ বিচারককে ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় এআইএমআইএম নেতা তথা আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে গত ৩ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয় বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে। সব মিলিয়ে এই মামলায় ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ এপ্রিল বিকেল ৪টে থেকে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বহু মানুষ। সেই সময় বিডিও অফিসে ছিলেন ৭ জন বিচারক। গভীর রাত পর্যন্ত এই সব বিচারকদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা। সেই ঘটনার নেপথ্যে অন্যতম 'মাথা' এই মোফাক্কেরুল ছিল বলে অভিযোগ। প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে ঘেরাও ছিলেন ৭ বিচারক। প্রায় মধ্যরাতে সেই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পরও বিচারকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস থেকে যখন বিচারকদের পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সেই কনভয়ে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ কনভয়ের গাড়ির কাচ ভেঙেছে সেই হামলায়। সেই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার মূলচক্রী হিসাবে মোফাক্কেরুলের নাম উঠে আসে। নাম জড়ায় আইএসএফ প্রার্থীরও।
{{/usCountry}}