Bardhaman TMC Threats BJP: ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা এখনও মনে আছে বাংলার। তবে এবারের নির্বাচনটা সেদিক দিয়ে আলাদা হবে বলেই আশায় বুক বেঁধেছে রাজ্য। মোটের ওপর ভোটগ্রহণ পর্ব নির্বিঘ্নে মিটেছে। তবে ভোট শেষ হতে না হতেই বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে। আর তারই মাঝে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের হুমকির জেরে ভোট শেষে কয়েকটি বুথে আটকে পড়েন তাদের এজেন্টরা। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির কর্মীদের মারধরও করেছেন বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং এজেন্টদের আটকে রাখার ঘটনা জাননো হয় দলের নেতৃত্বকে। সেই কথা জানতে পেরেই বৃষ্টির মধ্যেই ঘটনাস্থলে যান আউশগ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হুমকির দেরে গুসকরা পৌরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক বুথে এজেন্টরা বাইরে বের হতে পারেননি ভোট শেষ হওয়ার পরে। বিজেপির দাবি, ভোট শেষ হওয়ার পর বুথ থেকে বেরোলেই তাঁদের দেখে নেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ফলে অন্তত ছ’টি বুথে বিজেপির পোলিং এজেন্টরা ভিতরেই আটকে পড়েন। এই আবহে বিজেপি প্রার্থী দলের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে করে সেখানে গেলে তাদের ওপর ইট বর্ষণ হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীদের মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। পরে নিজে বুথে ঢুকে এজেন্টদের বের করে নিয়ে আসেন কলিতা।
ঘটনা প্রসঙ্গে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী বলেন, 'ভয়ে আমাদের এজেন্টরা বুথের বাইরে বের হতে পারেননি। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসব করছে।' আর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের পোলিং এজেন্ট উৎপল লাহা আবার বলেন, 'সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনও অশান্তি হয়নি এলাকায়। বিজেপি প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়ো অভিযোগ করছেন।' এদিকে এই অভিযোগ পালটা দাবির মাঝে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।