রাজ্যের গুন্ডাদমন বিল নিয়ে শুক্রবার দিনভর সংবাদমাধ্যমের একাংশে একটি খবর ঘুরপাক খেয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, রাজ্যের গুন্ডাদমন বিল, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে গেলে, তা তিনি সই না করে পর্যালোচনার জন্য পাঠিয়েছেন। এরপর রাত পৌনে দশটা নাগাদ হঠাৎই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান যে, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে গুন্ডাদমন বিল পৌঁছায়নি।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে সাফ জানান, রাষ্ট্রপতির দরবারে এখনও পযর্ন্ত পৌঁছয়নি বিলটি। অতএব তা ফেরত আসার কোনও ব্যাপার নেই। গুন্ডাদমন বিল নিয়ে শুক্রের দিনভর যে খবর ঘুরপাক খেয়েছে, তা মিথ্যা খবর, বলে দাবি করেন শুভেন্দু। গোটা বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বিলটি এখনও রাষ্ট্রপতির কাছে যায়নি। কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি কাজ চলছে। মিথ্যা খবর ছড়ানো হচ্ছে। দু’টি অংশের বিল ছিল। একটি আগেই কার্যকর। অন্যটি কার্যকর হবে।’
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, ‘গল্পের গরু গাছে তুলবেন না। যান, ডিনার করে শুয়ে পড়ুন।’ মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, গুন্ডাদমন বিলে ২টি অংশ। একটি (সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত) আগেই কার্যকর হয়েছে। অন্যটি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। সেইটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর আগে কাজ চলছে। এখনও পাঠানোই হয়নি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘নারকোটিক্সের ক্ষেত্রে বিএনএসে (ভারতীয় ন্যায় সংহিতা) ৩ বছরের জেল ও জামিন যোগ্য বলা হয়েছে। আমরা জামিন অযোগ্য করতে চাইছি। তাই রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। সবটাই নিয়ম মেনে হচ্ছে। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে কাজ চলছে।’
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে কথা বলার সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘যাঁরা নিজেদের গুন্ডা মনে করেন তাঁরাই এই সব বলছেন। তাঁরা নিজেরাই জানেন বিল আইন হলে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবেন না।’
{{/usCountry}}এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে কথা বলার সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘যাঁরা নিজেদের গুন্ডা মনে করেন তাঁরাই এই সব বলছেন। তাঁরা নিজেরাই জানেন বিল আইন হলে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবেন না।’
{{/usCountry}}