শুভেন্দু অধিকারীকে নাকি ইচ্ছে করে হারাতে চাইছে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব, এমনই অভিযোগ করলেন তৃণমূল মুখপাত্র তথা বেলেঘাটা থেকে ঘাসফুল প্রতীকের প্রার্থী কুণাল ঘোষ। এরই সঙ্গে তৃণমূল নেতা বলেন, বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের শীর্ষস্থানীয় চার নেতা চলছেন চারটি ভিন্ন পথে। কুণাল ঘোষ বলেন, 'শুভেন্দুকে অযথা মুরগি করে ছেড়ে দিয়েছে বিজেপি। কারণ, একে নন্দীগ্রামে নন্দীগ্রাম-১ হারবে, আর এবার পবিত্র কর চলে আসায় নন্দীগ্রাম-২ হারবে। এবার তাঁকে গ্যাস খাইয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে ভবানীপুরে লড়তে। ৪০ থেকে ৫০ হাজার ভোটে হারবেন তিনি সেখানে। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে গুরুতর চক্রান্ত এটা। ওর ক্যারিয়ার শেষ করার খেলা খেলছে শমীক আর সুকান্ত মিলে। ওরা মিলে ওকে দু'জায়গায় হরানোর চেষ্টা করেছে। ও কোনদিকে যাবে। ও জামা আটকাতে গেলে প্যান্ট খুলে যাচ্ছে, প্যান্ট আটকাতে গেলে জামা খুলে যাচ্ছে।'

তৃণমূল মুখপাত্র আরও বলেন, 'সুকান্ত মজুমদার একদিকে হাঁটেন, শুভেন্দু অন্যদিকে হাঁটেন, শমীক একদিকে হাঁটেন, দিলীপ ঘোষ আবার অন্যদিকে হাঁটেন। আগে ঘর সামলা, পরে ভাববি বাংলা। যারা বলছে, রেখা পাত্র গো ব্যাক, আগে সেগুলো সামলানো উচিত ওদের।' এদিকে কুণালের অভিযোগ, স্ত্রী রিঙ্কুকে প্রার্থী না করায় দিলীপ ঘোষ নাকি রাজ্য নেতৃত্বের ওপর খাপ্পা। এছাড়া দিলীপ ঘোষের 'ভাগ্য ফেরার' নেপথ্যে দীঘার জগন্নাথ দর্শন রয়েছে বলে দাবি করেন কুণাল।
দিলীপকে নিয়ে কুণাল বলেন, 'দিলীপ ঘোষ আবার একটু ভেসে থাকতে চাইছেন। দিলীপ ঘোষকে সেখান থেকে এর আগে সরিয়ে দিয়েছিল। সিটিং এমপি ছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে দুর্গাপুরে নিয়ে গিয়ে হারিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিষ্ঠিত দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে গিয়ে তিনি সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করার পরে দিলীপ ঘোষের ভাগ্য খুলেছে। এবার তিনি একটু পুরনো ফর্মে ব্যাট করতে চাইছেন। কিন্তু তাঁর আসলে কহি পে নিগাহেঁ, কপি পে নিশানা। রিঙ্কু বৌদি টিকিট না পাওয়ায় তিনি নিশানা করছেন রাজ্য নেতাদের। তাই অন্যদিকে তাকিয়ে বলছেন, মারব... মারব... তবে কোন দল কাকে প্রার্থী করবে, তা তাদের বিষয়। তাই সেটা নিয়ে আমাদের আলাদা করে বলার কিছু নেই।'