West Bengal Fin Swimming Medal List: একদিনেই ১৮ রেকর্ড! ঝোড়ো ইনিংসে ৫০-র কাছে উত্তর ২৪ পরগনা, দুরন্ত সুজয়-জয়শ্রীরা
West Bengal Fin Swimming Medal List: ষষ্ঠ রাজ্য ফিনসুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় দিনে একগুচ্ছ রেকর্ড তৈরি হল। দ্বিতীয় দিনে মোট ১৮টি রেকর্ড তৈরি হয়েছে। পদক তালিকার শীর্ষে আছে উত্তর ২৪ পরগনা। দুরন্ত পারফরম্যান্স করলেন কারা কারা?
West Bengal Fin Swimming Medal List: রুদ্ধশ্বাস প্রতিযোগিতা, জলের তোড়ে রেকর্ড ভাঙার খেলা আর পুলে গতির লড়াই- সবমিলিয়ে উত্তেজনায় পারদ চড়ল ষষ্ঠ রাজ্য ফিনসুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় দিনে। দ্বিতীয় দিনের লড়াই শেষে পদক তালিকায় নিজেদের স্পষ্ট আধিপত্য বজায় রেখে বাকিদের অনেকটাই পিছনে ফেলে দিল উত্তর ২৪ পরগনা। জলের পুলে তাদের এই দাপুটে পারফরম্যান্স প্রতিযোগিতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দ্বিতীয় দিনে পুলজুড়ে শুধুই ছিল নতুন রেকর্ড গড়ার হাতছানি। সিনিয়র ও জুনিয়র মিলিয়ে আজ মোট ১৮টি নতুন রাজ্য রেকর্ড তৈরি হয়েছে।

একনজরে ব্যক্তিগত বিভাগের সাফল্য
দ্বিতীয় দিনের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল পুরুষদের ৪০০ মিটার বাইফিন ফাইনাল। সোনার পদক ছিনিয়ে নেন পূর্ব মেদিনীপুরের সুজয় মল্লিক। একই বিভাগে মহিলাদের ৪০০ মিটার বাইফিনের ফাইনালে অনবদ্য পারফর্ম করে প্রথম স্থান অধিকার করেন হাওড়ার জয়শ্রী মাহাতো।
অন্যদিকে, সিনিয়র বিভাগে সেরা তারকা হয়ে উঠেছেন কলকাতার তরুণ সাঁতারু সৌভিক দাস। তিনি পুল মাতিয়ে জোড়া সোনা জেতেন। ৫০ মিটার অ্যাপনিয়া এবং ৫০ মিটার সারফেস- দুই বিভাগেই অনন্য গতি প্রদর্শন করে তিনি পোডিয়ামের শীর্ষস্থান দখল করেন।
সৌভিকের মতোই মহিলাদের সিনিয়র বিভাগে জোড়া সোনা জিতে স্পটলাইট কেড়ে নিয়েছেন আহেলি সাহা। তিনি ৫০ মিটার অ্যাপনিয়া এবং ৫০ মিটার বাইফিন ইভেন্টে প্রতিপক্ষদের টেক্কা দিয়ে দু’টি স্বর্ণপদক জয় নিশ্চিত করেন।
পদক তালিকায় কে কোথায়?
বিকেল ৫ টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য ও ফলাফলের ভিত্তিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে নিজেদের আসন মজবুত করে ফেলেছে উত্তর ২৪ পরগনা। তাদের সংগৃহীত মোট পয়েন্ট ১৪৫। ঝুলিতে রয়েছে ১৬টি সোনা, ১৭টি রুপো এবং ১৪টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৪৭টি পদক। গতি, দক্ষতা ও ধারাবাহিকতায় উত্তর ২৪ পরগনার প্রতিযোগীরা শুরু থেকেই এগিয়ে রয়েছেন।
তালিকায় ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে হাওড়া। তাদের সংগ্রহে রয়েছে ১১টি সোনা, ছ'টি রুপো এবং ছ'টি ব্রোঞ্জ মিলিয়ে মোট ২৩টি পদক। ২৫টি পদক অর্জনের মধ্য দিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান। তাদের ঝুলিতে এসেছে ৫টি সোনা, ১০টি রুপো এবং ১০টি ব্রোঞ্জ।
চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে হাড্ডাহাড্ডি টক্কর
শুধুমাত্র প্রথম তিনটি স্থানই নয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানের পয়েন্ট টেবিল নিয়েও চলেছে তীব্র লড়াই। আয়োজক জেলা কোচবিহার এবং কলকাতার মধ্যে লড়াই এতটাই কাঁটায় কাঁটায় যে প্রতি মুহূর্তে সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। মাত্র ২ পয়েন্টের সামান্য ব্যবধানে আয়োজক জেলা কোচবিহারকে টেক্কা দিয়ে আপাতত চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে কলকাতা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


