...
...
Next Story

Asansol Municipal Corporation: শোকজের জবাবে অসন্তুষ্ট! আসানসোলের পুরবোর্ড ভেঙে দিল রাজ্য,নয়া দায়িত্বে IAS অদিতি চৌধুরী

Asansol Municipal Corporation: প্রশাসনিক সূত্রে খবর, পুরনিগমের অন্দরে চলা দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা এবং নাগরিক পরিষেবার বেহাল দশা কাটাতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন নির্বাচিত পুরবোর্ড দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত অথবা আগামী ছয় মাস প্রশাসকের হাতেই থাকবে পুরনিগমের সমস্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা।

Published on: Jul 08, 2026 11:54 PM IST
Advertisement

Asansol Municipal Corporation: ভাঙল রাজ্যের আরও একটি পুরবোর্ড। দীর্ঘ টানাপোড়েন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত আসানসোল পুরনিগম ভেঙে দিল রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। ৭ জুলাই জারি করা এক নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গ পুর কর্পোরেশন আইন, ২০০৬-এর ৬০(১) ধারার অধীনে বর্তমান পুরবোর্ডকে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইএএস তথা আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (আড্ডা)-র প্রাক্তন পুর কমিশনার অদিতি চৌধুরীকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

আসানসোলের পুরবোর্ড ভেঙে দিল রাজ্য (সৌজন্যে টুইটার)
আসানসোলের পুরবোর্ড ভেঙে দিল রাজ্য (সৌজন্যে টুইটার)

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, পুরনিগমের অন্দরে চলা দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা এবং নাগরিক পরিষেবার বেহাল দশা কাটাতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন নির্বাচিত পুরবোর্ড দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত অথবা আগামী ছয় মাস প্রশাসকের হাতেই থাকবে পুরনিগমের সমস্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা। বস্তুত, আসানসোল পুরসভায় অচলাবস্থার অভিযোগ উঠেছিল। গত দু’মাস ধরে কোনও বোর্ড মিটিং না হওয়া, সম্পত্তি কর মকুব সংক্রান্ত বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আসানসোল পুরনিগমকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছিল রাজ্যের পুর দফতরের সচিব। মঙ্গলবার মেয়র বিধান উপাধ্যায় ই-মেইলের মাধ্যমে ছয় পাতার জবাব পাঠালেও, তাতে সরকার সন্তুষ্ট হতে পারেনি। প্রশাসনিক মহলের মতে, উত্তরের ভাষা এবং তথ্যের ঘাটতির কারণেই এদিন আসানসোল পুরবোর্ড ভেঙে দল পুর ও নগরোন্নয় দফতর।

অন্যদিকে, শোকজ নোটিশ পেয়ে আসানসোল সেরে কলকাতায় চলে আসেন বিধান উপাধ্যায়। তবে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে যাননি তিনি। যোগাযোগ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠীর সঙ্গে। দুই অনুগামীকে নিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সেই সাক্ষাতের পর জল্পনা বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে। এদিকে, পুরবোর্ডের অন্দরেও সংকট চরমে পৌঁছেছিল। ১০৬ জন কাউন্সিলারের মধ্যে ৬ জন কাউন্সিলার ও ২ জন বোরো চেয়ারম্যান পদত্যাগ করায় বোর্ডে সংখ্যালঘু হওয়ার দশা তৈরি হয়েছিল। পাশাপাশি, কাউন্সিলারদের সাম্মানিক ভাতা ও জ্বালানি বরাদ্দ বন্ধ করে দেওয়ায় অস্থিরতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর আসানসোলের রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe