Chorbagan stampede SIT: কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে যে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছিল, তার নেপথ্যের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে এবং প্রশাসনিক স্তরে কোথাও কোনও গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট (SIT) গঠন করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গঠিত এই বিশেষ দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীকে (Anindita Roy Saraswati)। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ২১ অক্টোবর এই মর্মে আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের সঙ্গে বিস্তারিত পরামর্শের পরই এই উচ্চপর্যায়ের তদন্তকারী দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই বিশেষ তদন্তকারী দলটিতে মোট ছয়জন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন বিপর্যয় মোকাবিলা ও অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতরের প্রধান সচিব, রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF) ডিজি ও আইজিপি, রাজ্য পুলিশের ডিজির একজন মনোনীত প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিনিধি এবং কলকাতায় কর্মরত জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ (NDRF)-এর একজন বিশেষ প্রতিনিধি। উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিপুল ভিড়ের মধ্যে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রাণ হারান ১৯ জন। আহত হন আরও অনেকে। কার গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে ‘সিট’ গঠন করেছে। রাজ্য সরকার চেয়েছিল ঘটনার অনুসন্ধানের জন্য স্পেশ্যাল কমিশন গঠন করতে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চেয়েছিলেন, কলকাতা হাইকোর্টের কোনও বর্তমান বিচারপতির নেতৃত্বেই তদন্ত কমিটি গঠিত হোক। সেই মর্মে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের কাছে চিঠি পাঠান।
তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে কলকাতা হাইকোর্ট জানায়, সমকালীন কোনও ঘটনার প্রশাসনিক তদন্তে কর্মরত বিচারপতিকে যুক্ত করা যাবে না। পরিবর্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিটি গঠনের কথা জানানো হল। এই কমিটির মূল দায়িত্ব হল, কী ঘটেছিল সে দিন, সেই কারণ খুঁজে বার করা। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখতে বলা হয়েছে এই নতুন কমিটিকে। ঠিক কোন সময়ে, কোন জায়গায় এবং কী ভাবে প্রথম ভিড়ের চাপ তৈরি হয়েছিল তা নির্ধারণ করতে হবে তাদের। ওই মণ্ডপে যত লোক ধরার কথা, ওই সময় তার থেকে বেশি ছিল কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখবে সিট। দুর্ঘটনার নেপথ্যে কী ‘মণ্ডপ ভেঙে পড়া’র ঘোষণা, নাকি বৃষ্টি কারণ ছিল, তা-ও বিবেচ্য বিষয়। এ ছাড়াও, ওই মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন ছিল, কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়ও খতিয়ে দেখবে সিট। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ভবিষ্যত কী কী করা উচিত, তা-ও সুপারিশ করবে তারা। তিন মাসের মধ্যে সিট-কে চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট দিতে হবে।
{{/usCountry}}তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে কলকাতা হাইকোর্ট জানায়, সমকালীন কোনও ঘটনার প্রশাসনিক তদন্তে কর্মরত বিচারপতিকে যুক্ত করা যাবে না। পরিবর্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিটি গঠনের কথা জানানো হল। এই কমিটির মূল দায়িত্ব হল, কী ঘটেছিল সে দিন, সেই কারণ খুঁজে বার করা। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখতে বলা হয়েছে এই নতুন কমিটিকে। ঠিক কোন সময়ে, কোন জায়গায় এবং কী ভাবে প্রথম ভিড়ের চাপ তৈরি হয়েছিল তা নির্ধারণ করতে হবে তাদের। ওই মণ্ডপে যত লোক ধরার কথা, ওই সময় তার থেকে বেশি ছিল কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখবে সিট। দুর্ঘটনার নেপথ্যে কী ‘মণ্ডপ ভেঙে পড়া’র ঘোষণা, নাকি বৃষ্টি কারণ ছিল, তা-ও বিবেচ্য বিষয়। এ ছাড়াও, ওই মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন ছিল, কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়ও খতিয়ে দেখবে সিট। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ভবিষ্যত কী কী করা উচিত, তা-ও সুপারিশ করবে তারা। তিন মাসের মধ্যে সিট-কে চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট দিতে হবে।
{{/usCountry}}