Job creation linked industrial incentives: যত চাকরি দেবে, তত সুযোগ দেব! কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পে মেগা প্ল্যান রাজ্যের

Job creation linked industrial incentives: শিল্পের জন্য ইনসেনটিভ প্রকল্প চালু করা হবে, তাতে কর্মসংস্থানের উপরে জোর দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী তাপস রায়। আগামী ১৫ অগস্ট শিল্পনীতির ঘোষণা করা হবে।

Published on: Aug 7, 2026, 19:57:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Job creation linked industrial incentives: পশ্চিমবঙ্গে কর্মসংস্থানের জন্য নয়া ভাবনাচিন্তা শুরু করল রাজ্য সরকার। শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, শিল্পের জন্য যে ইনসেনটিভ প্রকল্প চালু করা হবে, তাতে বিনিয়োগের পরিবর্তে কর্মসংস্থানের উপরে জোর দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। অর্থাৎ কোন সংস্থা কত কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে, সেটার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ইনসেনটিভ (সরকারের দেওয়া এমন সব আর্থিক সুবিধা ও সহায়তা ব্যবস্থা, যেটার মাধ্যমে সংস্থাগুলিকে শিল্প গড়ে তোলা বা সম্প্রসারণ বা আধুনিকীকরণে উৎসাহিত করা হয়) প্রদান করা হতে পারে।

শিল্পের জন্য ইনসেনটিভ প্রকল্প চালু করা হবে, তাতে কর্মসংস্থানের উপরে জোর দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)
শিল্পের জন্য ইনসেনটিভ প্রকল্প চালু করা হবে, তাতে কর্মসংস্থানের উপরে জোর দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)

'বিনিয়োগের পরিবর্তে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে ইনসেনটিভকে'

আর সেই পরিকল্পনার বিষয়ে শুক্রবার কলকাতার একটি কনক্লেভে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী। 'উত্তরণ ২০২৬: বাংলা, বিল্ডিং দ্য নেক্সট গ্রোথ'-র মঞ্চ থেকে তিনি জানান, স্বাধীনতা দিবসেই রাজ্যের নয়া শিল্পনীতির ঘোষণা করা হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে কোন সংস্থা কত চাকরি দেবে, তার উপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ইনসেনটিভ প্রদান করা হতে পারে। তাঁর কথায়, ‘আমরা বিনিয়োগের পরিবর্তে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সঙ্গে ইনসেনটিভকে যুক্ত করার কথা ভাবছি।’

আরও পড়ুন: Greater Kolkata Ingrastructure Plan: বৃহত্তর কলকাতাকে চেনাই যাবে না! রিং রোড, এলিভেটেড করিডোর-সহ 'ভিশন ২০৪৭'-র নকশা

তৃণমূলের তুলে দেওয়া ইনসেনটিভ প্রকল্প ফেরানো হবে

এমনিতে তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে কালো অধ্যায় কাটিয়ে রাজ্যে শিল্পের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাইছে বিজেপি সরকার। সেই লক্ষ্যে ইনসেনটিভ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা চলছে। যা তৃণমূল সরকার তুলে দিয়েছিল। নয়া শিল্পনীতিতে সেই ইনসেনটিভ প্রকল্প সংক্রান্ত বিস্তারিত নীতি তৈরি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ‘সিঙ্গল উইন্ডো’, জমির ব্যাঙ্কের মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপরে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: Bengal Low Pressure Forecast Update: নিম্নচাপ জন্মাচ্ছে বাংলা উপকূলে! ভারী বৃষ্টি শুক্রেও, ছোটো বিরতির পরে ফের চলবে

রাজ্যের শিল্পের ছবি পালটানোর বার্তা অর্থমন্ত্রীর

তারইমধ্যে বেঙ্গালুরুতে বণিক সংস্থা বেঙ্গল চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজিত সামিটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, ‘জমির প্রতি আগের সরকারের দর্শন ছিল যে জমি অধিগ্রহণ করতে কাউকে সহায়তা করব না।’ সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে শিল্পের যে মরুভূমি তৈরি হয়েছিল, সেই ছবিটা পালটে দেবে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। শিল্পপতিদের সামনে পশ্চিমবঙ্গে অনেক সুযোগ খুলে যাবে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More