...
...
Next Story

Nabanna Festive Security: চোরবাগান থেকে শিক্ষা! কালী-জগদ্ধাত্রী পুজোর নিরাপত্তায় এক বিন্দুও ছাড় নয়, নির্দেশিকা নবান্নের

Nabanna SOP Festive Security: গত ২৮ অক্টোবর নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উৎসবের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন।

Published on: Nov 1, 2026, 15:17:22 IST
Advertisement

Nabanna SOP Festive Security: চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মর্মান্তিক ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন্ন উৎসবের মরসুমে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ রাজ্য প্রশাসন। কালীপুজো, দীপাবলি, জগদ্ধাত্রীপুজো, কার্তিকপুজো এবং ছট উৎসবকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলা, ঘাটের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় একগুচ্ছ কড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিয়োর (SOP) জারি করেছে নবান্ন (Nabanna)।

কালী-জগদ্ধাত্রী পুজোর নিরাপত্তায় এক বিন্দুও ছাড় নয়, নির্দেশিকা নবান্নের
কালী-জগদ্ধাত্রী পুজোর নিরাপত্তায় এক বিন্দুও ছাড় নয়, নির্দেশিকা নবান্নের

গত ২৮ অক্টোবর নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উৎসবের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন। পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের নেতৃত্বে নগরায়ন ভবনে আয়োজিত সমন্বয় বৈঠকের পরই নবান্নের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দফতর, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং পুরসভাগুলির জন্য এই কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নবান্নের নির্দেশিকায় কী কী বলা হয়েছে?

নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, থিমের স্বার্থে মণ্ডপে কোনওভাবেই আলো-আঁধারি পরিবেশ তৈরি করা যাবে না। সর্বত্র রাখতে হবে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। মণ্ডপের অভ্যন্তর, প্রবেশ-প্রস্থান পথ এবং দর্শনার্থীদের যাতায়াতের প্রতিটি প্যাসেজে যথেষ্ট আলোর ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

দর্শনার্থীদের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রত্যাশিত ভিড় অনুযায়ী পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। আগের ব্যাচ মণ্ডপ থেকে বের হওয়ার পরেই কেবল পরবর্তী দলকে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। এছাড়া প্রতিটি মণ্ডপের পরিকল্পনা স্থানীয় মহকুমাশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে পুলিশকে পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে।

বাজি ফাটানো নিয়েও কড়া নিয়ম করা হয়েছে। বেআইনি বাজি রুখে পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে। মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দসীমা বজায় রাখতে সাউন্ড লিমিটার ব্যবহার এবং শব্দবিধি কঠোরভাবে কার্যকর করতে পুলিশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে যৌথ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘাট পরিষ্কার রাখা, ভিজ ও শুকনো বর্জ্য আলাদা করার বড় পাত্র, পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখতে হবে। জলাশয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যারিকেড, মহিলাদের পোশাক বদলের পৃথক ঘর, পার্কিং এবং ২৪ ঘণ্টা পুরসভার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পুরসভার পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর এখন নবান্নের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার আসন্ন উৎসবগুলিতে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সমন্বয় নিশ্চিত করা। নবান্নের এই নির্দেশিকা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তার উত্তর মিলবে কালীপুজো ও পরবর্তী উৎসবগুলির প্রস্তুতি এবং পরিচালনায়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks