Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে রাজ্যের জেলায় জেলায় বিক্ষোভ। অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা না পেয়ে শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, হুগলি থেকে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবারই মহিলাদের বিক্ষোভে পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রশাসনিক ভবনে বৈঠক ছেড়ে উঠে আসতে বাধ্য হন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। পরে তিনি জানালেন, অন্নপূর্ণা নিয়ে গন্ডগোলের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)! বিষয়টি তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে জানাবেন।

কেন টাকা আসছে না? বহু জায়গায় অন্নপূর্ণা যোজনার ৩,০০০ টাকা এখনও পর্যন্ত পাননি মহিলারা। তা নিয়েই ক্ষোভ পৌঁছে গেছে চরমে (Annapurna Bhandar West Bengal)। তাহলে কী প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? দিকে দিকে শুরু হয়ে গেছে প্রতিবাদ। শুক্রবার, দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ! সমস্ত জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। কোথাও বিডিও অফিস, কোথাও পুরসভায় গিয়ে বঞ্চনার অভিযোগ করছেন মহিলারা। এমনকী, রেলপথ অবরোধের ঘটনাও ঘটেছে। শুক্রবারই পশ্চিম মেদিনীপুরে একটি প্রশাসনিক বৈঠক করতে গেছিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। জেলাশাসক দফতরে ঢোকার সময় অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মহিলাদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। তাঁদের আশ্বাস এবং জবাব দিয়ে তিনি জেলাশাসক দফতরে ঢুকে যান।
তবে দুপুরে প্রশাসনিক বৈঠক চলাকালীন জেলাশাসকের দফতরের গ্রাউন্ড ফ্লোরে ঢুকে পড়েন বিক্ষুব্ধ মহিলারা। ফলে, বাধ্য হয়ে দুপুর ২.৩০ মিনিট নাগাদ সেই বৈঠক বন্ধ করে নিচে নেমে আসেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁকে দেখে সেই কোলাহল আরও বাড়ে। বেশ খানিক ক্ষণ চলে দুই পক্ষের কথাবার্তা। পরে বৈঠক শেষে অন্নপূর্ণা-বিক্ষোভ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, অশান্তির নেপথ্যে কোথাও কোথাও পূর্বতন শাসকদলের হাত রয়েছে। তাঁর কথায়, ‘আমার মা বোনেদের একটু ধৈর্য ধরতে হবে। ২ কোটি মহিলার যদি আবেদনপত্র পড়ে থাকে, সেগুলো আপলোড করতেও তো একটু সময় লাগবে। সেই সময়টা দিতে হবে।’ মন্ত্রীর সংযোজন, ‘বলতে খারাপ লাগছে, অনেক তৃণমূলের লোক ভিতরে বসে রয়েছে। অনেকে গন্ডগোল পাকাচ্ছে। আমি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকেও জানাচ্ছি।’
বলে রাখা ভালো, এর আগে বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়িও একই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে যোগ্যদের অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছেন। আর তার ফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে আগামিদিনে সব ঠিক হয়ে যাবে বলেই দাবি তাঁর। একই সুর শোনা গিয়েছে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের গলাতেও। তিনি বলেন, ‘দেখে দেখে যাঁরা যোগ্য তাঁদের না দিয়ে (অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা) অযোগ্যদের দিচ্ছে। সেই কারণে যাঁরা যোগ্য, তাঁরা অকারণে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। এই বিষয়টা রাজনীতির অংশ। ধীরেসুস্থে সব ঠিক হয়ে যাবে।’ তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬টি পুরসভা নিয়ে বৈঠক ছিল শুক্রবার। কী ভাবে মানুষকে আরও ভাল পরিষেবা দেওয়া যায় তা নিয়ে, পয়ঃপ্রণালী, আলো, রাস্তা, সাধারণ শৌচাগার নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
{{/usCountry}}বলে রাখা ভালো, এর আগে বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়িও একই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে যোগ্যদের অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছেন। আর তার ফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে আগামিদিনে সব ঠিক হয়ে যাবে বলেই দাবি তাঁর। একই সুর শোনা গিয়েছে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের গলাতেও। তিনি বলেন, ‘দেখে দেখে যাঁরা যোগ্য তাঁদের না দিয়ে (অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা) অযোগ্যদের দিচ্ছে। সেই কারণে যাঁরা যোগ্য, তাঁরা অকারণে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। এই বিষয়টা রাজনীতির অংশ। ধীরেসুস্থে সব ঠিক হয়ে যাবে।’ তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬টি পুরসভা নিয়ে বৈঠক ছিল শুক্রবার। কী ভাবে মানুষকে আরও ভাল পরিষেবা দেওয়া যায় তা নিয়ে, পয়ঃপ্রণালী, আলো, রাস্তা, সাধারণ শৌচাগার নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
{{/usCountry}}এদিকে, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ এই দাবি সম্পূর্ণ বিরোধিতা করেন। পাল্টা তাঁর বক্তব্য, ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজ্যের মহিলাদের বঞ্চিত করেছে বর্তমান সরকার।