...
...
Next Story

RG Kar Case: আরজি কর-কাণ্ডে নয়া মোড়! প্রয়োজনে ফের জেরা সঞ্জয়-সন্দেহভাজনদের, CBI-কে অনুমতি হাইকোর্টের

RG Kar Case: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা স্পষ্টভাবে জানান, সঞ্জয় রায়ের বেকসুর খালাসের আবেদন এবং সিবিআইয়ের মৃত্যুদণ্ডের আবেদনের শুনানি একই সঙ্গে করা প্রয়োজন।

Published on: Apr 9, 2026, 19:50:35 IST
Advertisement

RG Kar Case: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেই অভিশপ্ত রাতের রহস্যভেদে সিবিআই-এর সামনে নতুন জানলা খুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, আরজি কর মামলায় যদি প্রয়োজন হয়, সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত এবং অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে যে কোনও ব্যক্তিকে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ১২ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

আরজি কর-কাণ্ডে নয়া মোড়! (HT_PRINT)
আরজি কর-কাণ্ডে নয়া মোড়! (HT_PRINT)

বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজশেখর মান্থা এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘সাজাপ্রাপ্ত অনেক কিছুই জানে বলে মনে হয়। ফলে যত আধুনিক পদ্ধতি, প্রযুক্তি রয়েছে, তার সব কিছু সিবিআই ব্যবহার করুক এই মামলায়।’ পরিবারের তরফে ডিএনএ প্রোফাইল এবং অডিও রেকর্ড আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ, সিবিআই এই দু’টি নিয়ে তদন্ত করে তাদের রিপোর্ট দেবে। আরজি করে কোথায় ডাক্তারি ছাত্রীকে নির্যাতনের ঘটনা হয়েছিল, তা পরিদর্শন করতে চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিল নির্যাতিতার পরিবার। সেই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল দেখতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তা হলে রাজ্যের আপত্তি কিসের? কারণ, মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে হলফনামা পরিবার দেয় আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন?’ এই নিয়ে আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ, ‘খড়্গপুর আইআইটি-তে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু হয়েছিল। তারপরে ফরেনসিক ডাক্তারই প্রমাণ দেন, যে ওই ছাত্র খুন হয়েছিলেন। আরজি কর কাণ্ডের ক্ষেত্রেও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের ভাল ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা রয়েছে।’

২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। পরদিনই কলকাতা পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআই-এর হাতে। ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি আরজি কর মামলার রায় ঘোষণা করে শিয়ালদহ আদালত। তাতে দোষী সাব্যস্ত হন সঞ্জয়। ২০ জানুয়ারি তাঁর আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেন বিচারক অনির্বাণ দাস। কিন্তু তদন্তের গভীরতা নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন নির্যাতিতার মা-বাবা। সিবিআই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁরা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই আইনি লড়াই সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ফের ফিরে আসে হাইকোর্টের আঙিনাতেই। বস্তুত, নির্যাতিতার মাকে এবারের ভোটে পানিহাটি থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe