Rajnath Singh to visit West Bengal: বাংলায় ইতিহাস গড়েছে বিজেপি। ঘাসফুল শিবিরের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনমতের রায়ে এখন নবান্ন দখলের পথে গেরুয়া শিবির। বিপুল জয়ের পর এবার প্রশ্ন-কে হবেন বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এই নিয়ে বহুদিন ধরেই নানা জল্পনা চলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রচারে এসে আগেই জানিয়েছিলেন, বাংলার 'ভূমিপুত্র'ই বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হবে রাজ্যে। সেক্ষেত্রে কোনও মুখ্যমন্ত্রী মুখ ছাড়াই নির্বাচনে লড়াই করেছে বিজেপি। এবার বঙ্গজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী পদে কাকে বেছে নেবে বিজেপি, সেই নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। একাধিক নামও উঠে আসছে। এই পরিস্থিতিতে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা ঠিক করতে আজই কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারেন বিজেপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃত্ব।
আজই কলকাতায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব?

দিল্লি সূত্রে খবর, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কলকাতায় আসছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে রাজনাথ সিংকে। অমিত শাহের পাশাপাশি রাজনাথ সিংয়েরও শহরে পৌঁছনোর সম্ভাবনা। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকের পরই তাঁর কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা। এখানে এসে বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি, দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত।
মুখ্যমন্ত্রী পদে কারা দৌড়ে?
পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সবথেকে যে নাম বেশি চর্চায় রয়েছে, তিনি হলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা হিসেবে আগেই তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এবারের নির্বাচনে দুই হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর থেকেই জয় পেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আরও একবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে উঠে আসছে। এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন, দিলীপ ঘোষ। খড়গপুর সদর থেকে জিতেছেন তিনি। স্বপন দাশগুপ্তও তালিকায় রয়েছেন। উঠে আসছে শমীক ভট্টাচার্যের নামও। তবে, তিনি নির্বাচনের প্রার্থী ছিলেন না। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী হতে গেলে তাঁকে আগে কোনও কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হতে হবে। সেক্ষেত্রে এখন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হলেও, তাঁকে ৬ মাসের মধ্যে বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিততে হবে। ফলত, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাতেই। নজর এখন দিল্লি ও কলকাতার বৈঠকের দিকে।