...
...
Next Story

Kaustav Bagchi on BJP: 'বিজেপির রাজ্য অফিসের সামনে গায়ে আগুন দেব!' দলকেই আত্মহত্যার হুঁশিয়ারি কৌস্তভের, হলটা কী?

Kaustav Bagchi on BJP: ২০২০ সালে টিটাগড়ের বিজেপি কার্যালয়ের সামনে খুন করা হয় দলীয় নেতা মণীশ শুক্লাকে। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয় তাঁকে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে সাড়া ফেলে দেয়।

Published on: Oct 26, 2026, 21:00:57 IST
Advertisement

Kaustav Bagchi on BJP: ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। ৬ বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার শিল্পাঞ্চলে এক বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিংকে নিশানা করে সাংবাদিক বৈঠক করে তোপ দাগলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচী। ব্যারাকপুরের বিধায়কের হুঁশিয়ারি, বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনেই গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যা করবেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ কেন এমন মন্তব্য করে বসলেন কৌস্তভ বাগচী? কী এমন ঘটল বিধায়কের সঙ্গে?

ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচী (সৌজন্যে এক্স )
ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচী (সৌজন্যে এক্স )

২০২০ সালে টিটাগড়ের বিজেপি কার্যালয়ের সামনে খুন করা হয় দলীয় নেতা মণীশ শুক্লাকে। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয় তাঁকে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে সাড়া ফেলে দেয়। তদন্তে উঠে আসে মণীশ শুক্লাকে বাইরে থেকে সুপারি কিলার এনে খুন করানো হয়েছে। সেই খুনের মামলা নিয়ে হঠাৎ সরব হয়েছেন কৌস্তুভ বাগচী। তাঁর দাবি, মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে উদ্যোগী হচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে মুখ্যসচিব, সিআইডি-র ডিজি এবং ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে চিঠি লিখেছেন। কিন্তু তার মধ্যে মণীশের খুনে যাঁদের নাম জড়িয়েছিল, তাঁরা এখন বিজেপিরই ছত্রছায়ায় এসে দাঁড়িয়েছেন। নাম করেই তিনি পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিংকে নিশানা করেছেন। একই সঙ্গে প্রাক্তন দুই পুরপ্রধান উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরীকে বিজেপিতে নেওয়া যাবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন কৌস্তুভ বাগচী।

বিজেপি বিধায়কের বড় দাবি

অর্জুন সিং অবশ্য কৌস্তুভ বাগচীর বক্তব্য নিয়ে খুব বেশি কিছু বলতে চাননি। তাঁর কথায়, 'আমি জানি কীভাবে রাজনীতি করতে হয়।' অন্যদিকে, মণীশ শুক্লার হত্যা মামলা নিয়ে কৌস্তুভ বাগচীকে একহাত নিয়েছেন নিহত বিজেপি নেতার বাবা চন্দ্রমণি শুক্লা। তাঁর দাবি, মামলা চলাকালীন ব্যারাকপুরে কোনও আইনজীবীকে না পেয়ে তাঁরা কৌস্তুভ বাগচীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন। প্রথমে রাজি হলেও পরে প্রাণের আশঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি মামলা লড়তে অস্বীকার করেছিলেন। চন্দ্রমণি শুক্লার আরও দাবি, এখন তাঁর পুত্রের নাম ব্যবহার করে ব্যারাকপুরে রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করছেন কয়েক জন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks