...
...
Next Story

বিশ্বজয় করেছেন! ভোটার তালিকায় রিচার নাম কেন বিচারাধীন? অবস্থান স্পষ্ট করল সিইও দফতর

জানা গিয়েছে, এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি কেন করা হল না, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বা‌চনী আধিকারিকদের (ইআরও, এইআরও) কাছে জবাবদিহি চাইবে কমিশন।

Published on: Mar 2, 2026, 11:39:35 IST
Advertisement

২০২৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারতের মহিলা ব্রিগেড। সেই দলের সদস্য ছিলেন তিনি। শুধুমাত্র সদস্য বললে ভুল হবে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম কাণ্ডারি বঙ্গ কন্যা। সেই তাঁর নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন।’ অর্থাৎ, বিচারাধীন রয়েছে তাঁর নাম। যে ক্রিকেটার দেশের হয়ে খেলেছেন, যে ক্রিকেটার ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন, কাপ জিতিয়েছেন দেশকে, সেই রিচা ঘোষের নাম কীভাবে অমীমাংসিতের তালিকায় থাকতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অবশেষে এই প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।

ভোটার তালিকায় রিচার নাম কেন বিচারাধীন?
ভোটার তালিকায় রিচার নাম কেন বিচারাধীন?

প্রায় চারমাসের এসআইআর শেষে ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার রাজ্যে প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমিশন সূত্রে খবর, এসআইআর শুরু হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গের মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের কিছু বেশি। রাজ্যজুড়ে বাদ পড়েছে মোট ৬৫ লক্ষের বেশি নাম। লজিক্যাল ডিসক্রেপসিতে অমীমাংসিত ৬০ লক্ষের নথি। সেই তালিকায় সামিল হয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার শিলিগুড়ির বাসিন্দা রিচা ঘোষ। শিলিগুড়ির ১৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রিচা ঘোষের পরিবার। সূত্রের খবর, খেলা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন রিচা। তাই এনিউমারেশন ফর্ম ফিলআপ করে ও সব নথি জমা দেন তাঁর বাবা। শুনানিতে ডাক আসেনি রিচার। এরপরেই প্রশ্ন ওঠে, যিনি দেশকে বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দিয়েছেন, তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে কীভাবে সংশয় প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন?

কী বলছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর?

রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটি ও প্রশাসনিক স্তরে মামলা নিষ্পত্তির বিলম্বের জন্যই এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সিইও দফতরের ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী খসড়া তালিকায় রিচা ঘোষের তথ্য ছিল 'অ্যানম্যাপড' বা অসংলগ্ন অবস্থায়। এই ত্রুটি সংশোধনের জন্য রিচার পরিবারের পক্ষ থেকে শুনানিতে অংশ নেওয়া হয়েছিল। সেই মতো নথিও জমা পড়ে। তবে সময় মতো মামলার নিষ্পত্তি করেননি নির্বাচনী আধিকারিক। এ রকম জটিলতার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনও নাম বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার অধীনে চলে যায়। রিচার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks