...
...
Next Story

Kolkata Earthquake Today: কলকাতার মোটে ৭৬ কিমি দূরেই ভূমিকম্পের উৎসস্থল, কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল ‘বিপর্যয়’

বাংলাদেশে উৎসস্থল, সেই ভূমিকম্পে ভালোমতো কম্পন অনুভূত হল কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলির মতো জেলায়। যা দেখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এবার কানঘেঁষে বেরিয়ে গেল বড়সড় বিপর্যয়। কারণ কলকাতা বেশি বিপজ্জনক জায়গায় আছে।

Published on: Feb 27, 2026, 15:36:59 IST
Advertisement

কাঁপুনি, আতঙ্ক, ভয়- শুক্রবার দুপুরের ভূমিকম্প রীতিমতো কাঁপিয়ে দিল কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলার মানুষের হৃদয়। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া, বারাসতের মতো এলাকায় ভালোমতো অনুভূত হয়েছে কম্পন। তাছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলির মতো জেলার মানুষও কেঁপে উঠেছেন। ভারতের জাতীয় ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। যা মাঝারি। কিন্তু ভালোমতো কেঁপে উঠেছে কলকাতা-সহ পার্শ্বর্বর্তী জেলা। আপ সেটার নেপথ্যে আছে ভূমিকম্পের উৎসস্থলের সঙ্গে নৈকট্য। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের যে জায়গা আদতে ভূমিকম্পের উৎসস্থল, সেখান থেকে ভারতের সীমান্ত বেশি দূরে নয়। পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে দূরত্ব মেরেকেটে ২৬ কিলোমিটারের মতো। আর কলকাতা থেকে মাত্র ৭৬ কিমি দূরে অবস্থিত ভূমিকম্পের উৎসস্থল।

কলকাতা বিপজ্জনক জায়গায় অবস্থিত, বিপর্যয়ের ভয় ধরল মনে

কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গে কম্পন অনুভূত হল। (ছবিটি প্রতীকী, এআই দিয়ে তৈরি)
কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গে কম্পন অনুভূত হল। (ছবিটি প্রতীকী, এআই দিয়ে তৈরি)

বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার কানঘেঁষে বড় বিপর্যয় বেরিয়ে গেল। কারণ মহাদেশীয় ভাঙন রেখার কাছেই এবারের ভূমিকম্প হয়েছে। আর সেই মহাদেশীয় ভাঙন রেখার উপরেই অবস্থিত কলকাতা এবং বাংলাদেশ। যে এলাকা পলিমাটি দিয়ে তৈরি। ফলে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা যদি ছয় পেরিয়ে যায়, তাহলেই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আছে। এবার কম্পনের মাত্রা ৫.৫ ছিল (খাতায়কলমে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প) বলে বড়সড় বিপদ হয়নি। একেবারে কানঘেঁষে বেরিয়ে গেল বড় বিপর্যয়।

কম্পন শেষ হওয়ার পরও মাথা ঘুরছিল, আতঙ্কিত যুবতী

আর এবার যে কাঁপুনিটা মালুম হয়েছে, তা যে আগের থেকে অনেক বেশি, তা একবাক্যে স্বীকার করে নিচ্ছে অনেকেই। অফিসে থাকার সময় যেমন ভূমিকম্পের টের পান কলকাতার এক যুবতী। দ্রুত বেরিয়ে আসেন অফিসের বাইরে। তিনি বলেন, ‘আগেও কলকাতায় অনেকবার কম্পন অনুভূত হয়েছে। কিন্তু এবারের মতো কম্পন কখনও অনুভব করিনি। এতটা জোরালোভাবে কম্পন অনুভূত হয়নি আগে। কাঁপুনি শেষ হওয়ার পরে মনে হচ্ছিল যে মাথা ঘুরছে।’

'প্রকৃতি আস্তে-আস্তে বোঝাচ্ছে যে ভয়ানক আর কিছু হয় না'

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe