সকলেই কি বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) পাবেন? বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই নবান্নের তরফে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, তা নিয়ে সেই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ অভিযোগ উঠেছে যে রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে বঞ্চনা করা হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে রাজ্য সরকার যদি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে না দেয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। বেঁধে দেওয়া হয়েছে সাতদিনের সময়সীমা বা ডেডলাইনও। সেইসঙ্গে তাঁরা আইনি লড়াইয়েরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
দ্রুত ম্যাচিং অর্ডার প্রকাশের দাবি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের

আসলে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দাবি, রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের তরফে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, তাতে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে অমান্য করা হয়েছে। ঘেঁটে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে পুরো বিষয়টি। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মনে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সেই ধোঁয়াশা কাটাতে রাজ্য সরকারকে অবলিম্বে ম্যাচিং অর্ডার প্রকাশ করতে হবে। নাহলে অনেকে বঞ্চিত হবেন বলে দাবি করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা।
ভোট বৈতরণী পার করা যাবে না….হুঁশিয়ারি শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রেও মার্চের মধ্যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মিটিয়ে দিতেই হবে নির্ধারিত বকেয়া। সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে কোনওভাবেই বিভাজন করা চলবে না। শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে ধোঁয়াশা রেখে দিয়ে ভোট বৈতরণী পেরিয়ে যাওয়ার কৌশল আমরা কোনওমতেই মেনে নেব না।’
আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চেরও
একইসুরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে রাজ্য সরকার। দ্রুত সেই সমস্যার সমাধান করতেই হবে। না হলে পথে নামবেন ১০ লাখ মানুষ। গড়ে তুলবেন আন্দোলন। ছলচাতুরি করে কোনওক্রমে ভোট বৈতরণী পার করার চেষ্টা করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হবে না বলে দাবি করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদেরও বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দিতে হবে।
{{/usCountry}}একইসুরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে রাজ্য সরকার। দ্রুত সেই সমস্যার সমাধান করতেই হবে। না হলে পথে নামবেন ১০ লাখ মানুষ। গড়ে তুলবেন আন্দোলন। ছলচাতুরি করে কোনওক্রমে ভোট বৈতরণী পার করার চেষ্টা করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হবে না বলে দাবি করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদেরও বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দিতে হবে।
{{/usCountry}}যদিও বিষয়টি নিয়ে আপাতত রাজ্য সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি শিক্ষা দফতরের তরফেও।