গেরুয়া শিবিরের নজরে নবান্ন। ২১-এর কৌশল পাল্টে বিধানসভা যুদ্ধে নেমে পড়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে চমক দিয়েছে বিজেপি। এবার বাকি বিধানসভা আসনগুলিতে কারা-কারা লড়বেন তাই নিয়ে বৈঠক অব্যাহত। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, এখনও ৪৫ টি আসনে প্রার্থী বাছাইয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগবে পদ্ম শিবিরের। বিগত তিন দিন যাবৎ দ্বিতীয় পর্যায়ের বাকি ১৫০ টি আসন নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের আলোচনা চলছে।

জানা গেছে, বুধবার বিজেপির কেন্দ্রীয় ইলেকশন কমিটির বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা ধরে চলে এই বৈঠক। আর তাতেই পশ্চিমবঙ্গের ১০৫ টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঠিক করা হয়ে গিয়েছে বলে খবর। প্রথম তালিকায় পূর্বের অনেক বিধায়ক স্থান পাননি। বাদ পড়া কয়েকজন বিধায়ককে দ্বিতীয় তালিকায় জায়গা দেওয়া হয়েছে বলে খবর। তবে সাংগঠনিক কাজে দক্ষ, কর্মী এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা আছে এবং যার জেতার সম্ভাবনা বেশি, এমন ব্যক্তিদের প্রার্থী করা হয়েছে। সোমবার ১৪৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। আর এই ১৪৪ জনের মধ্যে অধিকাংশই পুরনো মুখ। একুশের বিধানসভা ভোটে জিতে আসা প্রায় সব বিধায়কের উপরই ভরসা রেখেছে গেরুয়া শিবির। তাঁদের টিকিট দেওয়া হয়েছে। বাকি এখনও ১৫০টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা। আর এখন দেখার, দ্বিতীয় দফায় কারা কারা জায়গা পান তালিকায়? প্রথমবারের ট্রেন্ড মেনে পুরনো মুখ নাকি নয়া মুখে বাজি ধরতে পারে বিজেপি? আর এই উত্তর পেতে চাইছে এখনও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতেই হবে।
প্রথম দফার প্রার্থীদের মধ্যে সব থেকে বড় চমক ছিল শুভেন্দু অধিকারীর দু’টি কেন্দ্র নিয়ে। প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল ছিল যে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে লড়বেন। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুরে প্রার্থী হবেন। আর সেই জল্পনা সত্যি হয়েছে। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরে লড়ছেন শুভেন্দু। এর থেকেই বোঝা গিয়েছিল এইবারের ভোটে বাংলার মসনদ দখলে বিজেপি কোনও ভাবেই পিছিয়ে থাকবে না। আর তাতেই রাজ্য রাজনীতিতে আবার উত্তেজনা বেড়েছে। এখন সকলেরই চোখ রয়েছে কলকাতার এই আসনের দিকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা গত একাধিক ভোটের হিসেব নিয়ে বসে পড়েছেন। পাটিগণিতের হিসেবে কে এগিয়ে যেতে পারে, আর কে পিছিয়ে থাকতে পারে, সেই অঙ্কই কষছেন তাঁরা। এদিকে, তৃণমূলের মতো বিজেপিও বারেবারে নিজের উঁচু-নিচু সব কর্মী-নেতাদের বলে এসেছে কাজ না করলে টিকিট নেই। রাজ্য নেতৃত্ব তো বটেই এমনকী কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যখনই বাংলায় এসেছেন কর্মীদের ভোকাল টনিক দিয়ে গিয়েছেন। এই আবহের মধ্যে কাকে-কাকে প্রার্থী করা হতে পারে সেই নিয়ে চলছে জল্পনা।
{{/usCountry}}প্রথম দফার প্রার্থীদের মধ্যে সব থেকে বড় চমক ছিল শুভেন্দু অধিকারীর দু’টি কেন্দ্র নিয়ে। প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল ছিল যে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে লড়বেন। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুরে প্রার্থী হবেন। আর সেই জল্পনা সত্যি হয়েছে। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরে লড়ছেন শুভেন্দু। এর থেকেই বোঝা গিয়েছিল এইবারের ভোটে বাংলার মসনদ দখলে বিজেপি কোনও ভাবেই পিছিয়ে থাকবে না। আর তাতেই রাজ্য রাজনীতিতে আবার উত্তেজনা বেড়েছে। এখন সকলেরই চোখ রয়েছে কলকাতার এই আসনের দিকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা গত একাধিক ভোটের হিসেব নিয়ে বসে পড়েছেন। পাটিগণিতের হিসেবে কে এগিয়ে যেতে পারে, আর কে পিছিয়ে থাকতে পারে, সেই অঙ্কই কষছেন তাঁরা। এদিকে, তৃণমূলের মতো বিজেপিও বারেবারে নিজের উঁচু-নিচু সব কর্মী-নেতাদের বলে এসেছে কাজ না করলে টিকিট নেই। রাজ্য নেতৃত্ব তো বটেই এমনকী কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যখনই বাংলায় এসেছেন কর্মীদের ভোকাল টনিক দিয়ে গিয়েছেন। এই আবহের মধ্যে কাকে-কাকে প্রার্থী করা হতে পারে সেই নিয়ে চলছে জল্পনা।
{{/usCountry}}