সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের বরাদ্দ একধাক্কায় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বাজেটে। তা নিয়ে একটি মহল থেকে সমালোচনা করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়ে দিলেন, এটা শুধুমাত্র সংখ্যালঘুদের সরকার নয়। এটা সকলের সরকার। তাই সকলের জন্য বাজেট হয়েছে। সংবাদংস্থা এএনআইয়ের মুসলিম ভাইদেরসাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘এটা (শুধুমাত্র) সংখ্যালঘুদের সরকার নয়। এটা সমাজের সরকার- সবকা সাথ, সবকা বিকাশ। মাথা থেকে সেটা বের করে দিক। মুসলিম ভাইদের বলতে চাই, আপনারা এই চোরদের থেকে দূরে থাকুন; তা নাহলে আপনাদেরও বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করতে হবে। এই সরকার সবকা সাথ, সবকা বিকাশ করবে। সকলের জন্য কাজ করছে। নরেন্দ্র মোদীজিকে দেখুন। ১২ বছর ধরে করছেন।’
আইএসএফের তরফে কী বলা হল?

এমনিতে সোমবার অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত যে বাজেট পেশ করেছেন, সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের বরাদ্দ কমিয়ে ২,১৬৫.৪২ কোটি টাকা করা হয়েছে। একধাক্কায় প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকা কমে গিয়েছে বরাদ্দ। যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে নওশাদ সিদ্দিকীদের আইএসএফের তরফে বলা হয়েছে, 'সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ এই অর্থবর্ষে প্রায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ২,১৬৫ কোটি টাকা। অর্থাভাবে শুকিয়ে মারার চেষ্টা। এইভাবে বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ তৈরি করবে বিজেপি সরকার?'
এটা দিল্লি-নির্ভর বাজেট, দাবি মমতা শিবিরের
আবার বাজেটের সর্বাত্মক বিরোধিতা করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘নতুন সরকার। আমরা সময় দিচ্ছি। শুরু থেকেই সর্বাত্মক বিরোধিতা নয়। গঠনমূলক বিরোধিতা। মমতাদির সময় দিল্লির টাকা বন্ধ ছিল। স্বনির্ভর বাংলা বাজেট হত। এখন হল দিল্লি-নির্ভর বাজেট। বাজেট ভাষণে বারবার দিল্লির প্রকল্পের উল্লেখ। এই বাজেটে টাকা খরচের কথা আছে। অর্থমন্ত্রী বহু ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন। কারণ জোগান আছে। আগে সেটা ছিল না। ইচ্ছে থাকলেও করতে পারতেন না মমতাদি। তবে আজ এখানে টাকা খরচের কথা থাকলেও টাকা আয়ের রূপরেখা নেই। সেটা কি দিল্লি দেবে?’
{{/usCountry}}আবার বাজেটের সর্বাত্মক বিরোধিতা করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। বেলেঘাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘নতুন সরকার। আমরা সময় দিচ্ছি। শুরু থেকেই সর্বাত্মক বিরোধিতা নয়। গঠনমূলক বিরোধিতা। মমতাদির সময় দিল্লির টাকা বন্ধ ছিল। স্বনির্ভর বাংলা বাজেট হত। এখন হল দিল্লি-নির্ভর বাজেট। বাজেট ভাষণে বারবার দিল্লির প্রকল্পের উল্লেখ। এই বাজেটে টাকা খরচের কথা আছে। অর্থমন্ত্রী বহু ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন। কারণ জোগান আছে। আগে সেটা ছিল না। ইচ্ছে থাকলেও করতে পারতেন না মমতাদি। তবে আজ এখানে টাকা খরচের কথা থাকলেও টাকা আয়ের রূপরেখা নেই। সেটা কি দিল্লি দেবে?’
{{/usCountry}}'মমতাদির করা, মমতাদির ঘোষিত…', কী বললেন কুণাল?
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বহু স্কিম, প্রকল্প, পরিকাঠামো আগে মমতাদির করা, মমতাদির ঘোষিত। বহু স্কিমে যত মানুষ উপকার পেতেন, এখন উপভোক্তা কমানোর ইঙ্গিত আসছে। তবু, আমরা এখনই পুরো বিরোধিতা না করে সরকারকে সময় দেব। ওঁরা যা ভালো কথা বলছেন, সেগুলো করলে ভালো। না করলে জনস্বার্থে আমরা প্রতিবাদ করব। কিছু নীতিগত প্রশ্নও থাকছে।’