Suvendu on Jadavpur University: গাঁজার ‘আজাদি’ চাই? যাদবপুরে ড্রোন ওড়াব! শুভেন্দু বললেন ‘ ফ্রি PoK’ লিখতে হবে
Suvendu on Jadavpur University: যাদবপুরে দাঁড়িয়ে কড়া বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ পড়ুয়াই দেশপ্রেমিক। তাঁদের ভয় দেখিয়ে মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয়।
Suvendu on Jadavpur University: যাদবপুরে ১০,০০০ কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার পরে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-কে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, কলকাতায় কেন ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান তোলা হবে? কড়া ভাষায় তিনি বলেন, 'আজাদি? কীসের আজাদি চান? হেরোইন খাওয়ার আজাদি? গাঁজা খাওয়ার আজাদি? ড্রাগ নেওয়ার আজাদি? টুকরে টুকরে গ্যাং…।' সেইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্রোন ওড়ানো হবে। কোথায় গাঁজা, ড্রাগ, হেরোইন খাওয়া হচ্ছে, কোথায় পাতা পুড়িয়ে টানা হচ্ছে, সেইসব দেখা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

‘ফ্রি PoK লিখতে হবে', সাফ বার্তা শুভেন্দুর
সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া হলে যে ‘ফ্রি ফ্রি প্যালেস্তাইন’ লেখা আছে, সেটার পরিবর্তে ‘ফ্রি পিওকে (পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর)’ লিখতে হবে। কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার দাবি তুলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে লিখতে হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।
কেন ‘কিষেণজি স্যালুট’ লেখা যাদবপুরে? ক্ষুব্ধ শুভেন্দু
আর এমনিতে সপ্তাহখানেক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি এবং এসএফআইয়ের সংঘর্ষের পর থেকে একাধিকবার কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাঁরা ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান দিচ্ছেন বা স্লোগান লিখছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুক্রবার সকালেই যেমন তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস বিভাগের দেওয়ালে ‘কিষেণজি স্যালুট’ লেখা থাকে বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান ওঠে?
তবে সেই ধারা আর চলবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রবাদী সরকার এসেছে। ‘আবর্জনা’ সাফ করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার যাদবপুরের ‘টুকরে টুকরে’ গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করত না। সমঝোতা করে নিয়েছিল ওই গ্যাংয়ের সঙ্গে। পরিবর্তে নির্বাচনের সময় ‘নো ভোট টু বিজেপি’-র স্লোগান তুলে সেই অংশ প্রচার চালাত বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: RG Kar case: আরজি কর মামলায় নয়া মোড়! সিবিআইয়ের নতুন তদন্ত শেষ করতে ৩ সপ্তাহের কড়া সময়সীমা হাইকোর্টের
যাদবপুরের ৯০% পড়ুয়া দেশপ্রেমিক, দাবি শুভেন্দুর
তিনি অবশ্য এটাও দাবি করেছেন, যাদবপুরের ৯০ শতাংশ পড়ুয়াই রাষ্ট্রবাদী, দেশপ্রেমিক। কিন্তু চে গেভারার গেঞ্জি পরা লোকজন ভয় দেখিয়ে তাঁদের মিছিলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


