টলিপাড়ায় দেব-শুভশ্রী জুটির কামব্য়াক নিয়ে চর্চার শেষ নেই। দেশু৭ এক কথায় আলোড়ন ফেলেছে। শুধু অনস্ক্রিন নয়, তাঁদের অফস্ক্রিন বন্ধুত্ব নিয়েও কম চর্চা চলছে না। ওই কথায় আছে না, 'পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে'। এর মাঝেই ফের এক দারুণ চমক! দীর্ঘ ১১ বছরের ব্যবধান পেরিয়ে অবশেষে একসঙ্গে কাজ করতে চলেছেন রাজ চক্রবর্তী এবং মিমি চক্রবর্তী। তবে এবার রাজ থাকবেন পরিচালকের ভূমিকায় নয়, বরং প্রযোজক হিসেবে। 'জি ফাইভ' (ZEE5)-এর একটি বিশেষ প্রজেক্টে রাজের প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারেই কাজ করতে দেখা যাবে মিমিকে।

১১ বছরের দীর্ঘ দূরত্ব ও প্রত্যাবর্তন
রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় 'বোঝেনা সে বোঝেনা' ছবি ভাগ্য বদলে দিয়েছিল মিমি চক্রবর্তীর। পরবর্তীতে 'যোদ্ধা' এবং ২০১৫ সালের 'কাটমুণ্ডু' ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তাঁরা। ছবির সেটেই শুরু হয়েছিল রাজ-মিমির প্রেমের গল্পও। কিন্তু সেই গল্পের হ্যাপি এন্ডিং হয়নি। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রভাবেই হোক বা অন্য কোনো কারণে, এরপর গত ১১ বছর রাজ-মিমি জুটিকে আর একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়নি।
চলছে জোরদার আলোচনা ও শুটিং প্রস্তুতি
সম্প্রতি রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে একটি সারভাইভাল থ্রিলার ধর্মী প্রজেক্টের জন্য মিমির কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যেখানে গল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু একজন নারী। ছবিটি পরিচালনা করবেন ‘কালরাত্রি’ খ্যাত অয়ন চক্রবর্তী। টিভি নাইন বাংলাকে মিমির আপ্তসহায়ক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে ছবির ব্যাপারে কথা অনেকটাই এগিয়েছে। সব ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষেই শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
পেশাদারিত্বের বড় জয়
{{/usCountry}}পেশাদারিত্বের বড় জয়
{{/usCountry}}অতীতের ব্যক্তিগত সমীকরণ ফিকে হলেও পেশাদার জগতে একে অপরের প্রতি সম্মান বরাবরই বজায় রেখেছেন রাজ ও মিমি। অতীতে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে দুজনই একে অপরের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। পেশাদারিত্বের খাতিরে সমস্ত দূরত্ব ভুলে তাঁদের এই পুনঃসংগঠনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছে বাংলা বিনোদন জগৎ।
প্রসঙ্গত, রাজের সঙ্গে ব্রেকআপের পর অফিসিয়্যালি মিমি সিঙ্গল। ৩৭ বছর বয়সেও সংসার পাতেননি নায়িকা। বাবা-মা আর চারপেয়ে পোষ্যদের নিয়েই তাঁর জীবন। যদিও অনেকবার চর্চায় উঠে এসেছে মিমির গোপন প্রেমের কথা। একটা সময় তৃণমূল কংগ্রেস দলের তারকা বিধায়ক এবং সাংসদ হয়েও নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখতেন রাজ-মিমি, এখন দুজনেই রাজনীতি থেকে অকাল সন্ন্যাস নিয়েছেন। অতীত সম্পর্কের সমীকরণ ভুলে রাজ-মিমির এই নয়া ইনিংস নিয়ে উৎসাহী টলিপাড়া।