...
...
Next Story

Shruti Das: ‘সম্প্রদান হয়নি..’, ৩ বছর আগে বিয়ে, তবু থাকতেন না একসঙ্গে! স্বর্ণেন্দুকেই ফের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন শ্রুতি

‘অগ্নিসাক্ষী রেখে মন্ত্র পড়ে গোত্রান্তর বা সম্প্রদান কিছুই হয়নি’, এই শীতে ফের স্বর্ণেন্দুর গলায় মালা দেবেন শ্রুতি। কী বলছেন নায়িকা?

Published on: Oct 31, 2026, 10:01:19 IST
Advertisement

ছোট পর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী শ্রুতি দাস (Shruti Das) ও পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার (Swarnendu Samaddar)। ২০২৩ সালের ৯ জুলাই খুব সাধারণ আয়োজনে সই-বিয়ে ও সিঁদুরদান সেরেছিলেন এই তারকা জুটি। সম্প্রতি প্রি-ওয়েডিং শ্যুটের ছবি দিতেই শ্রুতি-স্বর্ণেন্দুর ‘ফের বিয়ে’ নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছিল।

৩ বছর আগে বিয়ের পরও থাকতেন না একসঙ্গে! স্বর্ণেন্দুকেই ফের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন শ্রুতি
৩ বছর আগে বিয়ের পরও থাকতেন না একসঙ্গে! স্বর্ণেন্দুকেই ফের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন শ্রুতি

আসলে আইনি বিয়ের পরও এক ছাদের তলায় থাকা হয়নি তাঁদের। দুজনে একই আবাসনের দুই আলাদা ফ্ল্যাটে থাকতেন। বাবা-মা'র সঙ্গেই ছিল শ্রুতির সংসার। অবশেষে সমস্ত ট্রোলিং ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি বছরেই সামাজিকভাবে সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন এই দম্পতি।

এবার শাস্ত্রমতে বিয়ে হবে শ্রুতির

আইনি বিয়ের পর আলাদা থাকা এবং নতুন ঘর বাঁধার অনুভূতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী। কোনওরকম আধুনিক ট্রেন্ডে গা ভাসানো নয়। শ্রুতি জানালেন, ‘তিন বছর পর সামাজিক বিয়ে। সিঁদুরদান হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও আবার বিয়ে করার কারণ, অগ্নিসাক্ষী রেখে মন্ত্র পড়ে গোত্রান্তর বা সম্প্রদান কিছুই হয়নি। তাই আবার বিয়ে করছি এ ভাবে। আইবুড়ো নাম ঘুচে গিয়েছে জেনেও বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়রা আইবুড়োভাত খাওয়াচ্ছেন কারণ, শাস্ত্রমতে বিয়ে হচ্ছে প্রথম বার।’

অবশেষে শীতের আমেজে ঘটা করে সামাজিক বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। নতুন তৈরি হওয়া সংসারেই এবার পাকাপাকিভাবে একসঙ্গে যাত্রা শুরু হবে তাঁদের।

বর্তমানে জি বাংলার ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’-য় ‘নিশা’ চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রুতি। কাজের চাপ সামলে কেনাকাটা: শুটিংয়ের ব্যস্ত সূচির মাঝেই বাবা-মায়ের সাথে ঘুরে বিয়ের কেনাকাটা সারছেন তিনি। কনের সাবেকি সাজ থেকে শুরু করে প্যান্ডেল— স্বর্ণেন্দুর সমস্ত প্ল্যানিংও শ্রুতিকেই মেটাতে হচ্ছে। আইনি বিয়ের দিন লাল পাড় সাদা শাড়ি আর রুপোর গয়নায় সেজে চমকে দিয়েছিলেন শ্রুতি। বিয়ের দিন বেনারসিই পরবেন। তবে বাকি সাজ নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন নায়িকা।

শুটিং ফ্লোরেই প্রথম আইবুড়ো ভাত: সহ-অভিনেতা ফাহিম মির্জা, অভিষেক বীর শর্মা সহ ‘জোয়ার ভাঁটা’ টিমের সদস্যরা শুটিং ফ্লোরেই শ্রুতির জন্য এলাহি আইবুড়ো ভাতের আয়োজন করেছিলেন। সেই বিশেষ ছবি শেয়ার করে শ্রুতি লেখেন, ‘শুভ শুভ। প্রথম অধ্যায়। প্রথম খাতা খুললাম কাছের বন্ধুদের সান্নিধ্যে।’

অগ্নিসাক্ষী রেখে ছাদনাতলায় যাওয়া:

বিয়ের দিনটি অত্যন্ত ছিমছাম ও সাবেকি বাঙালি রীতি মেনে সাজাতে চান অভিনেত্রী। আত্মীয়, কাছের বন্ধু ও বিনোদন জগতের প্রিয়জনদের নিয়েই বসবে তাঁদের সামাজিক বিয়ের জাঁকজমকপূর্ণ আসর। সমুদ্রসৈকতে কলাগাছ দিয়ে সাজানো ছাদনাতলায় শ্রুতি-স্বর্ণেন্দুর প্রাক-বিবাহ ফটোশুট ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সামাজিক মাধ্যমে।

শ্রুতি অভিনীত প্রথম মেগা ত্রিনয়নীর পরিচালক ছিলেন স্বর্ণেন্দু। সেই মেগার সেটেই শুরু দুজনের প্রেমের গল্প। বয়সে শ্রুতির চেয়ে ১৪ বছরের বড় পরিচালক। সেই নিয়ে কম কটাক্ষ শোনেননি নায়িকা। তবে বয়সের এই ফারাক বাধা হয়নি দুজনের সম্পর্কে। এবার প্রজাপতি ঋষির আর্শীবাদ নিয়ে নতুন জীবনে পা রাখতে চলেছেন দুজনে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks