...
...
Next Story

Professor Bidya Banerjee: নিজের খুঁত লুকোন না স্বস্তিকা, ৩০০ পর্ব পার প্রফেসর বিদ্যার, কতদিন চলবে এই মেগা? জবাব নায়িকার

দর্শকদের ভালোবাসায় সাফল্যের সঙ্গে ৩০০ পর্ব পার প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জির। কী বার্তা স্বস্তিকার?

Published on: Sep 22, 2026, 12:00:38 IST
Advertisement

মানসিক অস্থিরতা বা অ্যাংজাইটি (Anxiety)— বর্তমানে যার শিকার অনেকেই। কিন্তু সেই মানসিক লড়াইকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পর্দার সামনে যিনি প্রতিদিন বাউন্ডারি হাঁকাচ্ছেন, তিনি হলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত! স্টার জলসার হিট ধারাবাহিক 'প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি'-তে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয় ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। দেখতে দেখতে ৩০০টি পর্ব সম্পন্ন করে ফেলল মেগাটি!

নিজের খুঁত লুকোন না স্বস্তিকা! ৩০০ পর্ব পার প্রফেসর বিদ্যার, কতদিন চলবে এই মেগা
নিজের খুঁত লুকোন না স্বস্তিকা! ৩০০ পর্ব পার প্রফেসর বিদ্যার, কতদিন চলবে এই মেগা

এই বিশেষ মাইলফলক ছোঁয়ার আনন্দে সোশাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন ও খোলামেলা বার্তা পোস্ট করেছেন স্বস্তিকা।

‘আমরা একটা পাগল টিম! আনন্দ না থাকলে কাজ হয় না’

প্রযোজক স্নেহাশিষ চক্রবর্তীর (Snehasish Chakraborty) প্রযোজনায় তৈরি এই প্রজেক্ট নিয়ে বলতে গিয়ে স্বস্তিকা লেখেন, ‘স্নেহাশিষ চক্রবর্তীর হাত ধরে তৈরি এই প্রজেক্ট, এবং আমরা তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। সারাজীবন থাকব! আর হ্যাঁ, আমরা একটা পাগল (Mad) টিম! কারণ, খুব বেশি সিরিয়াস হয়ে আমি কাজ করতে পারি না। আমার জন্য সবকিছুতেই আনন্দ থাকা দরকার। আর ঠিক এইভাবেই আমরা কাজ করি।’

অ্যাংজাইটি হারিয়ে ৩০০ পর্বের সাফল্য!

আজকাল প্রায়শই অ্যাংজাইটির সমস্যায় ভোগেন স্বস্তিকা। তবে পর্দার 'প্রফেসর বিদ্যা' হয়ে ওঠার সময় সেই ভয় বা মানসিক চাপকে কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে দেননি তিনি। নিজের আনন্দময় কাজের পরিবেশ তৈরি করেই নিজেকে প্রসেস করেন অভিনেত্রী।

ব্যক্তিগত জীবনের মানসিক চাপ ও অ্যাংজাইটিকে দূরে সরিয়ে রেখে স্বস্তিকা যেভাবে টিআরপি তালিকায় রাজত্ব করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। স্বস্তিকা ও তাঁর 'পাগল টিমের' এই মিষ্টি সফর আগামী দিনে আরও নতুন মাইলফলক ছুঁক, সেটাই চাইছেন তাঁর অগণিত অনুরাগী!

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks