...
...
Next Story

Abhijeet Bhattacharya: ‘সলমন হতে পারবে না…’! চুনারি চুনারি-র রিমেক নিয়ে বরুণকে কটাক্ষ গায়ক অভিজিতের

গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য প্রকাশ করেছেন যে, হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়ের নির্মাতারা তার হিট গান চুনারি চুনারি-র রিমেক বানানোর আগে, তাঁর সঙ্গে কোনো কথাই বলেননি। এমনকী, বরুণকে ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ বলে কটাক্ষও করেন।

Updated on: May 27, 2026, 09:53:24 IST
Advertisement

‘চুনারি চুনারি’-র রিমেক ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায় ছবিতে ব্যবহৃত জনপ্রিয় গানটির নতুন সংস্করণ প্রকাশের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেক দর্শকই আইকনিক ট্র্যাকটির রিমিক্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এরই মধ্যে মূল গানের গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য প্রকাশ্যে নতুন সংস্করণের সমালোচনা করেন এবং অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানকেও কটাক্ষ করেছেন।

চুনারি চুনারি-র রিমেক নিয়ে বরুণকে কটাক্ষ গায়ক অভিজিতের।
চুনারি চুনারি-র রিমেক নিয়ে বরুণকে কটাক্ষ গায়ক অভিজিতের।

সম্প্রতি এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ ১৯৯৯ সালের সুপারহিট গান ‘চুনারি চুনারি’-র পুনর্নির্মাণ নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। গানটি মূলত বিবি নম্বর ওয়ান ছবিতে ব্যবহৃত হয়েছিল, যেখানে অভিনয় করেছিলেন সলমন খান, করিশ্মা কাপুর এবং সুস্মিতা সেন।

অভিজিৎ বলেন, ‘চুনারি চুনারি’ ছিল সলমন খানের কেরিয়ারের অন্যতম বড় হিট গান। তাঁর কথায়, গানটি মুক্তির পর থেকেই জনপ্রিয় ছিল এবং আজও সমানভাবে মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। তিনি আরও দাবি করেন, সেই সময় সলমন খান একজন উদীয়মান তারকা ছিলেন, সুপারস্টার নন— তবুও এই গানটি তাঁর কেরিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছিল।

নতুন সংস্করণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিজিৎ বরুণ ধাওয়ানকে কটাক্ষ করে বলেন, তিনি বারবার ‘সেকেন্ড-হ্যান্ড’ ছবি ও গান ব্যবহার করছেন। তাঁর অভিযোগ, বরুণের অনেক ছবিই পুরনো হিট সিনেমা বা গানের পুনর্নির্মাণের উপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে যেগুলোর সঙ্গে তাঁর বাবা ডেভিড ধাওয়ান-এর নাম জড়িত। অভিজিৎ বলেন, ‘আমার গান ব্যবহার করলেই কেউ সলমন খান হয়ে যেতে পারে না। সালমান ও বরুণের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।’

মঙ্গলবার প্রকাশ্যে আসে হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায় ছবির নতুন গান ‘চুনারি চুনারি’। এটি ১৯৯৯ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘বিবি নং ১’-এর জনপ্রিয় গানের পুনর্নির্মিত সংস্করণ। নতুন গানটি সাজিয়েছেন অক্ষয় রাহেজা ও অভিষেক সিং এবং মিউজিক ভিডিয়োটির কোরিওগ্রাফি করেছেন রেমো ডি'সুজা। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আইপি সিং, জোনিতা গান্ধী, আসিস কৌর, সুধীর যদুবংশী এবং অনুরাধা শ্রীরাম। গানটির ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে বরুণ ধাওয়ান, পূজা হেগড়ে এবং ম্রুণাল ঠাকুর-কে। উল্লেখ্য, মূল গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য ও অনুরাধা শ্রীরাম, আর সুর করেছিলেন অনু মালিক।

তবে বিতর্ক কেবল দর্শকদের সমালোচনাতেই সীমাবদ্ধ নেই। গানটির পুনর্নির্মাণ ঘিরে প্রযোজক বাসু ভাগনানি, রমেশ তৌরানি এবং ডেভিড ধাওয়ানের মধ্যে মতবিরোধও সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, বাসু ভাগনানির অনুমতি ছাড়াই তাঁর একটি ছবির সঙ্গে যুক্ত গান পুনরায় ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও ভাগনানি বিষয়টিকে আর্থিক বিরোধের বদলে ‘নৈতিক ইস্যু’ বলেই উল্লেখ করেছেন।

ডেভিড ধাওয়ান পরিচালিত ও রমেশ তৌরানির প্রযোজনায় নির্মিত ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’ আগামী ৫ জুন মুক্তি পাওয়ার কথা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe