স্টার জলসায় বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে রণজয় বিষ্ণু ও অভিকা মালাকারের মেগা ‘প্রতিজ্ঞা’। শুধু তাই নয়, অভিকা আর প্রতিজ্ঞার জুটি বেশ প্রশংসাও পেয়েছে দর্শকদের থেকে। কিন্তু এখন রণজয়ের ব্যক্তিগত জীবনে ভাঙনের ছাপ পড়ছে অভিকার উপর। নেটপাড়া-র গুঞ্জন অভিকা আর রণজয়ের ঘনিষ্ঠতার কারণে নাকি ঘর ভেঙেছে শ্য়ামৌপ্তির সঙ্গে। যদিও এই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন নায়ক খোদ। একটি ভিডিয়ো করে, এই ব্যক্তিগত সময়ে একটু গোপনীয়তার প্রার্থনা করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, এসবের থেকে অভিকাকে দূরে রাখার অনুরোধও এসেছে তাঁর তরফে।

বয়সে রণজয়ের থেকে অনেকটাই ছোট অভিকা। ২০২৩ সালে যখন তোমাদের রানির জার্নি শুরু হয়, তখন স্কুলের গণ্ডি পার করেননি উত্তরবঙ্গে এই কন্যে। অর্থাৎ এখন অভিকার বয়স ওই ১৮ বা ২০-র আশেপাশে। সেখানে রণজয়ের বয়স প্রায় ৩৮। অর্থাৎ প্রায় বছর কুড়ির ফারাক দুজনের।
তাঁকে নিয়ে এসব রটনা কি আদৌ কোনো প্রভাব ফেলছে অভিকার মনে? এই সময়কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিজ্ঞা-র নায়িকা বলেন, ‘এসব ভুলভাল খবরে কান দেই না আমি। কোনো প্রভাব ফেলে না আমার উপর। এসব তো চলতেও থাকে। তোমাদের রানি-র সময় অর্কপ্রভ-র সঙ্গেও আমার নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। একেবারে পাত্তা দিচ্ছি না এসবে। কার জীবনে কী হচ্ছে জানার কোনো ইচ্ছেও নেই আমার’।
অভিকা আরও বলেন, রণজয় ও শ্যামৌপ্তির বিয়ের সময় সদ্য শুরু হয়েছিল প্রতিজ্ঞা-র কাজ। ফলত গোটা টিমের সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন বিয়ে খেতে। সঙ্গে রণজয়কে খুব ভালো ক অ্যাক্টর ও ভালো বন্ধু হিসেবেই বর্ণনা করলেন তিনি।
এদিকে রণজয় একটি ভিডিয়ো বানিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া একাধিক অভিযোগের বিরোধিতা করেছেন। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, টাকা-পয়সা, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁর আর শ্যামৌপ্তির ঝামেলার শুরু। যদিও সরাসরি ডিভোর্সের খবরে সিলমোহর দেননি। এমনকী, শ্যামৌপ্তিও সংবাদমাধ্যমের প্রশ্ন সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, ‘যার যার নাম নেওয়ার দরকার ছিল বা যা বলার প্রয়োজন ছিল সেগুলো কি বলা শেষ হয়েছে? এখন এসবের থেকে একটু বিরতি নেওয়া যায় কি? দয়া করে থামুন।’
{{/usCountry}}এদিকে রণজয় একটি ভিডিয়ো বানিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া একাধিক অভিযোগের বিরোধিতা করেছেন। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, টাকা-পয়সা, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁর আর শ্যামৌপ্তির ঝামেলার শুরু। যদিও সরাসরি ডিভোর্সের খবরে সিলমোহর দেননি। এমনকী, শ্যামৌপ্তিও সংবাদমাধ্যমের প্রশ্ন সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, ‘যার যার নাম নেওয়ার দরকার ছিল বা যা বলার প্রয়োজন ছিল সেগুলো কি বলা শেষ হয়েছে? এখন এসবের থেকে একটু বিরতি নেওয়া যায় কি? দয়া করে থামুন।’
{{/usCountry}}গুড্ডি ধারাবাহিক দিয়ে শুরু হয়েছিল রণজয় আর শ্য়ামৌপ্তির প্রেম। এরপর চলতি বছরের ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন সামাজিক বিয়ে করেন তাঁরা। খবর মাসখানেক যেতে না যেতেই ছাদ আলাদা হয়। বর্তমানে নিজের মা-বাবার সঙ্গেই থাকছেন শ্যামৌপ্তি।