...
...
Next Story

অভিষেক-ঐশ্বর্যের প্রেমের গল্প এই শহরেই শুরু হয়েছিল, তাদের মেয়েরও যোগসূত্র আছে

অভিষেক বচ্চন সম্প্রতি জানিয়েছেন কেন তিনি জয়পুর পিঙ্ক প্যান্থার্স কাবাডি দলটি বেছে নিয়েছিলেন। অভিনেতা এই শহরটির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথাও জানিয়েছেন, যেখানে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের গল্পের সূচনা হয়েছিল।

Published on: Aug 19, 2026, 18:40:19 IST
Advertisement

বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন অভিনেতার পাশাপাশি একটি কাবাডি দলেরও মালিক। ২০১৪ সালে, অভিষেক তাঁর হৃদয়ের খুব কাছে থাকা এই একটি খেলায় বিনিয়োগ করেন। সম্প্রতি অভিষেক ব্যাখ্যা করেছেন কেন তিনি জয়পুর পিঙ্ক প্যান্থার্সকে বেছে নিয়েছেন। কারণ শহরটি তাঁর কাছে খুবই বিশেষ। এই শহরেই তাঁর এবং ঐশ্বর্যের প্রেমের গল্প শুরু হয়েছিল। পিঙ্ক প্যান্থার্সের সঙ্গে তাঁর আরও একটি সংযোগ রয়েছে।

অভিষেক এবং ঐশ্বর্যের প্রেম শুরু হয় জয়পুরে

সম্প্রতি পিডব্লিউসি ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন সঞ্জীব কৃষ্ণানের সঙ্গে এক কথোপকথনে অভিষেক জয়পুর শহরের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং তাঁর বাবা অমিতাভ বচ্চন যে একজন বড় ক্রীড়াপ্রেমী, সে সম্পর্কে কথা বলেছেন। অভিষেক বলেন, ‘আমি জয়পুর দলটিকে বেছে নিয়েছি। জয়পুরেই আমি আমার প্রথম সিনেমার একটি অংশের শুটিং করেছিলাম। এটি সেই একই শহর যেখানে ঐশ্বর্য এবং আমার প্রেম শুরু হয়েছিল। এর সাথে একটি আবেগঘন সংযোগ রয়েছে।’ অভিষেক জানান যে, ‘গোলাপি রংটিও বিশেষ, কারণ সেই সময়ে এটি আমার মেয়ের প্রিয় রং ছিল’। অভিষেক আরও বলেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবা তাঁকে 'প্যান্থার' বলে ডাকতেন। এটা তাঁর এবং অমিতাভের মধ্যে এক ধরনের রসিকতা ছিল। আর তাই নিজের কবাডি টিমের জন্য 'পিঙ্ক প্যান্থার' নামটি বেছে নেন।

ঐশ্বর্য ও আরাধ্যার সঙ্গে অমিতাভ।

একটি মজার ঘটনাও শেয়ার করেন। প্রো কাবাডি লিগের প্রথম ম্যাচের কথা স্মরণ করে অভিষেক বলেন যে, তাঁর দল মাঠে কিছুই করে উঠতে পারছিলেন না। সেই সময় তিনি দলের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন কী হয়েছে। দলটি তাতে উত্তর দেয় যে, খেলার সময় তারা শুধু অমিতাভ বচ্চনকেই দেখেছেন। দলটি জানায় যে, তারা এর আগে কখনও অমিতাভ বচ্চনকে দেখেননি; শচীন তেন্ডুলকার এবং শাহরুখ খান তাদের সঙ্গে বসেছিলেন। পেছনে তাঁদের ভাবি ঐশ্বর্য। এইসব দেখে দলের ছেলেরা খেলায় মনোযোগ দিতে পারছিল না।

অভিষেক বচ্চনের একটি ফুটবল দলও রয়েছে

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe