বাবার আদুরে কন্যা ছিলেন কনে দেখা আলো ধারাবাহিকের ‘লাজু’ অর্থাৎ সাইনা চট্টোপাধ্যায়। একটু দেরিতেই অভিষেকের জীবনে কড়া নাড়ে ভালোবাসা। বিয়ে করেন সংযুক্তাকে। আর তাঁদের কোলে আসে ডল অর্থাৎ সাইনা। তবে অকালেই প্রাণ হারান টলিপাড়ার অন্যতম সুদর্শন নায়ক। মেয়েকে অভিনেত্রী হিসেবে দেখে যাওয়ার সৌভগ্যও হয়নি তাঁর। তবে বরাবরই নিজের কাজ, সোশ্যাল মিডয়া পোস্টের মাধ্যমে বাবার স্মৃতি-অস্তিত্ব ধারণ করে চলেছেন সাইনা।

অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে কিছু বেশ পুরনো ছবি শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী কন্যা। যেখানে তাঁকে কখনো দেখা যায় বাবার কোলে, কখনো আবার মা-বাবার মধ্যমণি হয়ে, একটা ছবিতে দুজনে কেক কাটছেন। অভিষেকের তরুণ বয়সের ছবিও রয়েছে এতে। আর পোস্টের ক্যাপশনে লেখা, ‘পৃথিবীর সেরা মানুষটিকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমার হিরো, আমার আদর্শ, আমার সেরা বন্ধু—আমার বাবা। আমি তোমাকে অ-নে-ক ভালোবাসি (*অসীম)। তোমার মূল্যবোধ আর তোমার বলা গল্পগুলোই আমাকে আজকের আমি হিসেবে গড়ে তুলেছে; আমি যে আজ নিজেকে মন থেকে ভালোবাসতে পারি—সেই আত্মবিশ্বাসটুকু পাওয়ার একমাত্র কারণ হল তুমি আর মা। আজকের আমি হয়ে ওঠার পেছনে তোমার অবদান অনস্বীকার্য— তাই তোমাকে জানাই অশেষ ধন্যবাদ।’
‘আশা, ইতিবাচকতা এবং মানবতার শক্তি সম্পর্কে আমাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি যেখানেই যাই না কেন, তোমার উপস্থিতি সর্বদা আমার সঙ্গে থাকে; আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে তোমার একটি অংশ নিজের মাঝে ধারণ করে চলি। যখন কেউ আমাকে বলে যে— আমার হাসি, আমার চোখ কিংবা আমার বলা কোনো কৌতুক তাদের তোমার কথা মনে করিয়ে দেয়— তখন সেই অনুভূতি পৃথিবীর যে কোনো প্রশংসার চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান হয়ে ওঠে। আমার হাসি, আমার চোখ, আমার কৌতুক এবং আমার মূল্যবোধের মাঝেই আমি তোমাকে ধারণ করে চলেছি—এবং ভবিষ্যতেও তা-ই করে যাব। আর এই বিষয়টিকে— অর্থাৎ, অভিষেক চ্যাটার্জির মেয়ে হিসেবে পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্যকে—আমি সর্বদা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হিসেবেই গণ্য করব।’, আরও লেখেন সাইনা।
{{/usCountry}}‘আশা, ইতিবাচকতা এবং মানবতার শক্তি সম্পর্কে আমাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি যেখানেই যাই না কেন, তোমার উপস্থিতি সর্বদা আমার সঙ্গে থাকে; আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে তোমার একটি অংশ নিজের মাঝে ধারণ করে চলি। যখন কেউ আমাকে বলে যে— আমার হাসি, আমার চোখ কিংবা আমার বলা কোনো কৌতুক তাদের তোমার কথা মনে করিয়ে দেয়— তখন সেই অনুভূতি পৃথিবীর যে কোনো প্রশংসার চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান হয়ে ওঠে। আমার হাসি, আমার চোখ, আমার কৌতুক এবং আমার মূল্যবোধের মাঝেই আমি তোমাকে ধারণ করে চলেছি—এবং ভবিষ্যতেও তা-ই করে যাব। আর এই বিষয়টিকে— অর্থাৎ, অভিষেক চ্যাটার্জির মেয়ে হিসেবে পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্যকে—আমি সর্বদা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হিসেবেই গণ্য করব।’, আরও লেখেন সাইনা।
{{/usCountry}}অভিষেকের মৃত্যুর সময় তাঁর আদরের কন্যার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। এর বছর দুই পর সাইনার ছোট পর্দায় কাজ করা শুরু। যদিও স্কুলের গণ্ডি পেরোননি এখনো তিনি। প্রথম কাজ অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকে। তবে সেখানে কাজ করেন মাত্র মাসখানেক। এরপর সুযোগ আসে কনে দেখা আলো ধারাবাহিকে। সেখানে লাজু চরিত্র দিয়ে দর্শের মনে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছেন। শুধু অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে হিসেবে নয়, একজন সফল অভিনেত্রী হিসেবেও নিজের পরিচিতি গড়েছেন।