...
...
Next Story

‘বিয়ের সাড়ে ৩ মাসে বাচ্চা…’, প্রাক্তন বৌদির মা হওয়ার টাইমিং নিয়ে খোঁচা নেটিজেনদের, কী বললেন সায়ক?

সব্য়সাচীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর প্রাক্তন স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ এনেছিলেন সুস্মিতা রায়। সায়ককে ‘সমকামী’ বলে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। নতুন বিয়ের সাড়ে তিন মাস পর মা হলেন সুস্মিতা।

Published on: Jul 7, 2026, 12:15:43 IST
Advertisement

অভিনেত্রী তথা উদ্যোগপতি সুস্মিতা রায়ের মা হওয়ার খবর প্রকাশ্য আসতেই নেটপাড়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুভাশিস দে-র সঙ্গে পঞ্চম বিয়ের মাত্র সাড়ে তিন মাসের মাথায় সুস্মিতার সন্তান প্রসবের এই ‘টাইমিং’ নিয়ে যখন সর্বত্র জোর চর্চা, তখন বিতর্কের জল গড়াল ওঁর প্রাক্তন দেওর তথা জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী-র সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল পর্যন্ত।

‘বিয়ের সাড়ে ৩ মাসে বাচ্চা…’, প্রাক্তন বৌদির মা হওয়ার টাইমিং নিয়ে খোঁচা নেটিজেনদের, কী বললেন সায়ক?
‘বিয়ের সাড়ে ৩ মাসে বাচ্চা…’, প্রাক্তন বৌদির মা হওয়ার টাইমিং নিয়ে খোঁচা নেটিজেনদের, কী বললেন সায়ক?

সম্প্রতি সায়কের একটি ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে সুস্মিতার ব্যক্তিগত জীবন এবং মা হওয়া নিয়ে এক নেটিজেন তীব্র কটাক্ষ করেন। আর সেই বিস্ফোরক মন্তব্যের জবাবে সায়কের দেওয়া সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া এই মুহূর্তে টলিপাড়ায় নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

‘আমি আর কী বলব তোমরাই বলো’— সায়কের সেলফি ও নেটিজেনের তোপ

ঘটনাটির সূত্রপাত হয় যখন সায়ক চক্রবর্তী নিজের ফেসবুক ওয়ালে কয়েকটি নিজস্ব ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমি আর কী বলব তোমরাই বলো’। সুস্মিতার মা হওয়ার খবর সামনে আসবার পরদিনই সায়কের এই রহস্যময় ক্যাপশনের সুযোগ নিয়েই কমেন্ট বক্সে ঝড় তোলেন এক নেটিজেন।

এক ফেসবুক ব্যবহারকারী সুস্মিতার ডিভোর্স, বিয়ে এবং সন্তান জন্মদানের সময়কালের হিসেব টেনে সরাসরি লেখেন, ‘ডিভোর্সের ৬ মাসের মধ্যে বিয়ে আবার বিয়ের ৩.৫ মাসে বাচ্চা.. মানুষ সব বোঝে গো, কে ভালো আর কে খারাপ.. যে সয় সে সত্যিই রয়... এটা বাস্তব.. আর এখন চুপচাপ দেখে যাও…’।

প্রাক্তন বৌদির জীবনের এই ব্যক্তিগত ও বিতর্কিত বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের এমন খোলামেলা মন্তব্য দেখে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে রাখেননি সায়ক। তবে তিনি কোনও কাদা ছোড়াছুড়িতে না গিয়ে অত্যন্ত পরিপক্ব ও সংযতভাবে বিষয়টিকে হ্যান্ডেল করেছেন। ওই নেটিজেনের কমেন্টের রিপ্লাইতে সায়ক লেখেন, ‘বেশি কথা না বাড়িয়ে শুধু দেখে যাওয়াই শ্রেয়’।

সায়কের এই একটা লাইনের মন্তব্য এবং সাথে দেওয়া ‘মুখ বন্ধ রাখার’ ইমোজি বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, প্রাক্তন বৌদির এই আকস্মিক মাতৃত্ব এবং সুস্মিতার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ওঁর নিজেরও হয়তো অনেক কিছু বলার আছে, কিন্তু এই মুহূর্তে প্রকাশ্যে কোনও বিতর্ক না বাড়িয়ে চুপচাপ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাটাকেই তিনি বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করছেন।

বিয়ের সাড়ে তিন মাসেই সন্তান, তুঙ্গে চর্চা

উল্লেখ্য, সুস্মিতা রায় তাঁর পোস্টে জানিয়েছিলেন যে দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা এবং ২০১৯ সালে প্রথম সন্তানকে হারানোর যন্ত্রণার পর এই মাতৃত্ব তাঁর কাছে এক অলৌকিক আশীর্বাদ। তবে সমাজমাধ্যমের একাংশ সায়কের দাদা সব্যসাচীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর দ্রুত বিয়ে এবং বিয়ের মাত্র সাড়ে তিন মাসের মধ্যে সন্তান প্রসবের বিষয়টি কিছুতেই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে সায়কের এই 'চুপচাপ দেখে যাওয়ার'পরামর্শ টলিপাড়ার গুঞ্জনকে আরও কিছুটা উস্কে দিল বৈকি!

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe