...
...
Next Story

Kone Dekha Alo-Lopamurda:‘আমাদের হাতে কিছু থাকে না’: ‘কনে দেখা আলো’ শেষ, চোখভেজা খোলা চিঠি সুদেবের মায়ের, চাইলেন ক্ষমা!

'ভালো জিনিস ভালো থাকতে থাকতে বিদায় নিলে ভালো, অন্তত 'কঙ্কা লসার' হওয়া থেকে রক্ষা পাবে!' বার্তা সুদেবের মায়ের।

Published on: Sep 23, 2026, 11:00:16 IST
Advertisement

এক বছরের আবেগ, প্রতিদিনের ড্রয়িংরুমের আড্ডা আর হাজারো স্মৃতির মেলবন্ধন— অবশেষে পর্দার আড়াল হলো জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'কনে দেখা আলো'! ধারাবাহিকের শেষ এপিলোড সম্প্রচারের পর চোখের জল ফেলছে অনুরাগীরা। এর মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সুদেবের মা (লোপামুদ্রা)-র চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী। যে কোনও অনুষ্ঠানে গেলে অনুরাগীদের একটাই অনুনয় ছিল— ‘দিদি, পরিচালককে বলুন না সিরিয়ালটা শেষ না করতে!’— সেই ভক্তদের কাছেই নিজের অপারগতা আর অসীম ভালোবাসার কথা উজার করে দিলেন তিনি।

‘আমাদের হাতে কিছু থাকে না’: ‘কনে দেখা আলো’ শেষে ক্ষমা চাইল সুদেবের মা লোপামুদ্রা
‘আমাদের হাতে কিছু থাকে না’: ‘কনে দেখা আলো’ শেষে ক্ষমা চাইল সুদেবের মা লোপামুদ্রা

‘আমরা শুধুই চরিত্র হয়ে উঠতে পারি, সিদ্ধান্ত আমাদের নয়’

অনুরাগীদের আবেগের জবাবে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘বিশ্বাস করুন, এটা কোনো শিল্পী বা পরিচালকের কাজ নয়। মানে আপনারা যেমন অনুরোধ করতে পারছেন, আমরা সেটাও পারি না। আমরা শুধু যে যার কাজটুকুই করতে পারি— সেটে দাঁড়িয়ে চরিত্র হয়ে উঠতে পারি বা দৃশ্যকে জীবন্ত করতে পারি। এর বাইরে আমাদের আর কোনো ক্ষমতা থাকে না। তবে আজকের এই সময়ে দাঁড়িয়েও আপনারা যেভাবে সাপোর্ট করে গেছেন, তাকে ধন্যবাদ জানানোর মতো শব্দ আমার অভিধানে কম পড়ছে।’

জি বাংলা (Zee Bangla), কাস্টিং ডিরেক্টর, প্রোডাকশন হাউস 'অর্গানিক স্টুডিও' এবং পরিচালক জয়দীপ দাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, জয়দীপ দার মতো সরল মানুষের সাহায্য পেয়েই এত কঠিন একটা চরিত্র তিনি সহজভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।

‘ভালো থাকতে থাকতে বিদায় নেওয়াই ভালো!’

টেলিভিশনের পর্দায় নতুন গল্প আসবে, নতুন চরিত্র রাজ করবে— কিন্তু এক বছর ধরে দর্শকদের ভালোবাসায় ধন্য হওয়া 'কনে দেখা আলো'-র এই মিষ্টি সফর যে টলিপাড়ার পাশাপাশি অনুরাগী হৃদয়েও বিশেষ জায়গা করে থাকবে, তা বলাই বাহুল্য!

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks