২০২৬ সালের মে মাসে অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে একটি পার্টিতে বলপূর্বক শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ তুলেছিলেন। অঙ্কিতা জানিয়েছিলেন যে, জোর করে তাঁকে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেন দেবালয়। সোমবার খবর রটে যে, টলিউডের এই খ্যাতনামা পরিচালকের উপর শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে নিজের বয়ান রেকর্ড করতে চলেছেন আরও এক অভিনেত্রী সোহিনী সরকার।

একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়, সোমবার আলিপুর আদালতে নিজের বক্তব্য রাখবেন সোহিনী। অভিযোগ, একটি পার্টি থেকে ফেরার সময় একই গাড়িতে থাকাকালীন সোহিনীকে আপত্তিকর কথা বলেন পরিচালক। পরিস্থিতি ক্রমশ অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। এমনকি, সোহিনীর গায়েও নাকি হাত দেওয়া হয়েছিল।
আর এই খবর নিয়ে যখন শোরগোল পড়ে যায় সোশ্যালে, তখন ব্যাপরটিকে ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেন অভিনেত্রীর আপ্ত সহায়ক। আজকালকে জানানো হয়, 'এই বিষয়টা একদমই ভুল। সোহিনীর সঙ্গে এরকম কিছু হয়নি। অঙ্কিতার সঙ্গে হয়েছে। সোহিনীর এটা নিয়ে কোনও বক্তব্য নেই। যা রটেছে সম্পূর্ণ ভুল।' এমনকী, দেবালয় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন গোটা ঘটনার। বলেন, ‘এটা করানো হচ্ছে কোথাও থেকে। কেউ করছেন।’
প্রসঙ্গত, মাসখানেক আগে তাঁর আনা অভিযোগে অঙ্কিতা জানিয়েছিলেন যে, তাঁর ও দেবালয়ের মধ্যে ঘটা অনভিপ্রেত ঘটনাটি ২০২০ সালের ওয়েব সিরিজ 'পবিত্র পাপিস' (Pabitra Paapis)-এর শুটিং শেষ হওয়ার পর আয়োজিত একটি সাকসেস পার্টির পরে ঘটেছিল। অঙ্কিতার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পার্টিতে পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য মদ্যপ অবস্থায় সকলের অলক্ষ্যে তাঁকে জোর করে চুম্বন করার এবং শারীরিক হেনস্থার চেষ্টা করেন। অভিনেত্রী আরও অভিযোগ করেন যে, সেই রাতে পরিচালকের এই অনভিপ্রেত আচরণের প্রতিবাদ করার কারণে পরবর্তী সময়ে তাঁকে বিভিন্ন কাজ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। গত প্রায় ৬ বছর ধরে দেবালয় তাঁর ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন।
অঙ্কিতা এরপর আইনি নোটিসের মাধ্যমে দেবালয়কে ৭ দিনের মধ্যে ফেসবুক পেজে নিঃশর্ত লিখিত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। তা না হলে থানায় এফআইআর ও দেওয়ানি মামলা করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পালটা মানহানির অভিযোগ তোলেন দেবালয়। ২০২৬ সালের ২১ মে দেবালয় ভট্টাচার্য তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে অঙ্কিতা চক্রবর্তীকে একটি পাল্টা আইনি নোটিস পাঠান। ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপরাধে পরিচালক অঙ্কিতার বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে এই পুরো বিষয়টি আলিপুর আদালত ও আইনি স্তরে বিচারাধীন রয়েছে।
{{/usCountry}}অঙ্কিতা এরপর আইনি নোটিসের মাধ্যমে দেবালয়কে ৭ দিনের মধ্যে ফেসবুক পেজে নিঃশর্ত লিখিত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। তা না হলে থানায় এফআইআর ও দেওয়ানি মামলা করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পালটা মানহানির অভিযোগ তোলেন দেবালয়। ২০২৬ সালের ২১ মে দেবালয় ভট্টাচার্য তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে অঙ্কিতা চক্রবর্তীকে একটি পাল্টা আইনি নোটিস পাঠান। ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপরাধে পরিচালক অঙ্কিতার বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে এই পুরো বিষয়টি আলিপুর আদালত ও আইনি স্তরে বিচারাধীন রয়েছে।
{{/usCountry}}