অনির্বাণ ভট্টাচার্য প্রায় ৬ মাস কোনও কাজ পাননি। তাঁর জন্য বারংবার দেবকে সরব হতে দেখা গিয়েছে। কিছুদিন আগে তৃণমূল সাংসদ তথা নায়ক দেব মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধও করেছিলেন অনির্বাণের হয়ে। আর এবার জানা গেল এই একই সমস্যায় ভুগছেন ঋদ্ধি সেনও।
গত বছরে টালিগঞ্জে ফেডারেশনের সঙ্গে বেশ কিছু অভিনেতা ও পরিচালকের সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তার মধ্যে অনির্বাণ ভট্টাচার্য একজন। তিনি প্রায় ৬ মাস কোনও কাজ পাননি। তাঁর জন্য বারংবার দেবকে সরব হতে দেখা গিয়েছে। কিছুদিন আগে তৃণমূল সাংসদ তথা নায়ক দেব মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধও করেছিলেন অনির্বাণের হয়ে। আর এবার জানা গেল এই একই সমস্যায় ভুগছেন ঋদ্ধি সেনও।
এই প্রসঙ্গে ক্যালকাটা টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নায়ক বলেন, ‘এই সমস্ত সমস্যা দেখা দিয়েছে ১৬ নভেম্বর আমার করা একটি পোস্টের কারণে। পরবর্তীতে, ফেডারেশন আমাকে ক্ষমা চাওয়ার চিঠি পাঠাতে বলে এবং ভবিষ্যতে এমন কিছু লিখব না বলে আশ্বাস দেয়। কেন লিখব? একটা গণতান্ত্রিক দেশে একজন নাগরিক হিসেবে, আমার স্বাধীনভাবে আমার মতামত প্রকাশ করার অধিকার আছে। যদি আমার মতামত প্রকাশের জন্য আমি কাজ হারাই, তাহলে তাই হোক।’
প্রসঙ্গত, দেবকে কিছুদিন আগে অনির্বাণ প্রসঙ্গে বলতে শোনা গিয়েছিল, 'আমি অনুরোধ করব যদি ক্ষমা চাইতে হয় অনির্বাণকে তাহলে আমি ওঁর হয়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি ক্ষমা চেয়ে বলছি যে, দয়া করে অনির্বাণকে কাজ করতে দিন। এমন একজন অভিনেতাকে বাংলার দরকার। বাংলায় ওঁর অনেক অবদান বাকি আছে। আমি অনুরোধ করব মমতা বন্দোপাধ্যায় দিদিকে ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে যাঁরা বাংলাকে এত দিন ধরে আগলে রেখেছেন, তাঁরা এই ব্যাপারটা একটু দেখুন। অরূপ বিশ্বাস ও স্বরূপ বিশ্বাসকে বলুন।'
দীর্ঘ বিরতির পর দেবের বিপরীতে দেখা যাবে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে (দেশু জুটি), আর সেখানেই নাকি খলনায়ক অনির্বাণ। সেই প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছিলেন দেব।
তিনি বলেছিলেন, 'দেশু ৭'-এ ও থাকবে কিনা আমি জানি না। কারণ আমাদের চিত্রনাট্য অনুসারে ওঁকে যে চরিত্রে রাখা হবে সেটা যদি ওঁকে নিয়ে মনে হয় যে মিস ইউজ হয়ে গেল তাহলে আমার খারাপ লাগবে। কিন্তু আমি অবশ্যই চাই অনির্বাণ কাজ করুক। ভোটের সময় যখন এডি, সিবিআই আসে, তখন আমরা সকলে একসঙ্গে লেগে থাকি যে এটা তো খারাপ হচ্ছে। সেখানে দাঁড়িয়ে আমাদের রাজ্যের একজন অভিনেতা ৬মাস ধরে ব্যান হয়ে আছেন সেটাও অন্যায়।'