'সব সময়ই মানুষ…', বিতর্কের পর ‘ধর্মীয় বিভাজন’ নিয়ে মন্তব্যে মুখ খুললেন এ আর রহমান!

এ আর রহমান বর্তমানে তাঁর একটি মন্তব্যের জন্য চর্চায় রয়েছেন। তিনি বলেছেন যে তিনি গত আট বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাচ্ছেন না, যা সাম্প্রদায়িক কারণে হতে পারে। তবে বিতর্ক দানা বাঁধার পর, এ আর রহমান তাঁর বক্তব্য থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

Updated on: Jan 18, 2026, 19:53:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এ আর রহমান বর্তমানে তাঁর একটি মন্তব্যের জন্য চর্চায় রয়েছেন। তিনি বলেছেন যে তিনি গত আট বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাচ্ছেন না, যা সাম্প্রদায়িক কারণে হতে পারে। কিংবদন্তি সুরকার তাঁর এই বক্তব্যের জন্য সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। গায়ক শান, শঙ্কর মহাদেবন এবং কঙ্গনা রানাওয়াত সহ অনেক তারকা তাঁর অভিযোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং এগুলিকে অযৌক্তিক বলেছেন।

'সব সময়ই মানুষ…', বিতর্কের পর ‘ধর্মীয় বিভাজন’ নিয়ে মন্তব্যে মুখ খুললেন এ আর রহমান!
'সব সময়ই মানুষ…', বিতর্কের পর ‘ধর্মীয় বিভাজন’ নিয়ে মন্তব্যে মুখ খুললেন এ আর রহমান!

আরও পড়ুন: শুভশ্রী-অঙ্কুশের ‘লক্ষ্মী এল ঘরে'র ট্রেলারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে কন্যাশ্রী-সহ রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্পের ঝলক!

তিনি আরও বলেন যে, শুধুমাত্র বিজেপি সমর্থক বলেই সুরকার তাঁর সঙ্গে দেখা করতেও রাজি হননি। তবে বিতর্ক দানা বাঁধার পর, এ আর রহমান তাঁর বক্তব্য থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মুসলিম হওয়ার কারণে কাজ না দেওয়া সম্পর্কে তার মন্তব্য স্পষ্ট করে তিনি বলেছেন যে, কারও অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না। তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে বলেছেন যে, তার বক্তব্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ছিল না।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে, গান সব সময়ই মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, উদযাপন এবং সম্মান করার একটা মাধ্যম। ভারত কেবল আমার বাড়ি নয়, বরং আমার অনুপ্রেরণা এবং পরামর্শদাতাও। আমার উদ্দেশ্য কখনও কারও অনুভূতিতে আঘাত করা নয়। আমি আশা করি সকলে আমার সততা এবং সত্য উদ্দেশ্য বুঝতে পারবে এবং অনুভব করবে।’

আরও পড়ুন: মেয়ে নিয়ে রাজ্যের বাইরে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন রাহুল-প্রীতি! বিমানবন্দরে কী হল তাঁদের সঙ্গে?

রহমান আরও বলেন, ‘আমি একজন ভারতীয় হিসেবে গর্বিত। ভারত আমাকে এমন একটা প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে যেখানে আমি আমার সৃজনশীলতা স্বাধীন ভাবে প্রকাশ করতে পারি। এই সুযোগ আমাকে বিভিন্ন সংস্কৃতির কণ্ঠস্বরকে সম্মান জানাতে এবং সঙ্গীতের মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করেছে। ভারত সব সময় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং আমার কাজকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে।’

এ আর রহমান তার কেরিয়ারের বেশ কিছু স্মরণীয় কাজের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি জালা প্রকল্পে কাজ করেছি, যা ওয়েভস সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছিল। আমি নাগা সঙ্গীতশিল্পীদের সঙ্গে একটি স্ট্রিং অর্কেস্ট্রা তৈরি করেছি, সানশাইন অর্কেস্ট্রাকে পরামর্শ দিয়েছি এবং ভারতের প্রথম বহুসংস্কৃতির ভার্চুয়াল ব্যান্ড, সিক্রেট মাউন্টেন প্রতিষ্ঠা করেছি। আমি রামায়ণের সঙ্গীতেও হ্যান্স জিমারের সঙ্গে সহযোগিতা করেছি। এই সমস্ত অভিজ্ঞতা আমার সঙ্গীতের উদ্দেশ্যকে আরও শক্তিশালী করেছে।’