মঙ্গলবার ছোট্ট মীরার প্রথম জন্মদিন। এমনিতেই এই একরত্তিকে খুব ভালোবাসে নেটপাড়া। আর মেয়ের জন্মদিনে তাকে ভালোবাসায় ভরালেন অহনা দত্ত ও দীপঙ্কর রায়।

মাঝরাতেই মীরার ছবি শেয়ার করে অহনা লিখলেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে মীরা। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। আর হ্যাঁ আমি সত্যিই ভালোবাসি’। আর মেয়ের জন্য বাবা দীপঙ্কর লিখলেন, ‘তোমাকে প্রথমেই অনেক অনেক ধন্যবাদ আর আদর যে তুমি আমার জীবনে মা ডাকটা আবার ফিরিয়ে দিয়েছ’!
আসলে মেয়ে হওয়ার মাসখানেক আগেই মারা যান দীপঙ্করের মা। আর প্রয়াত শাশুড়ির নামেই মেয়ের নাম রেখেছেন অহনা। খুদেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে দীপঙ্কর আরও লিখেছেন, ‘তোমাকে প্রথমেই অনেক অনেক ধন্যবাদ আর আদর যে তুমি আমার জীবনে মা ডাকটা আবার ফিরিয়ে দিয়েছ ।তাই আমি আর তোমার মা তোমাকে এই নামটা উপহার দিয়েছি ‘মীরা’। আজ তোমার একবছর পূর্ণ হল, আর প্রথম জন্মদিনে তোমাকে একটা কথা দিলাম, জীবনে পরিস্থিতি যাইহোক আমি সব সময় তোমার জীবনের প্রথম হিরো থাকব। তোমার দাদু, পিসি, পিসেমশাই, দাদা সবার তুমি খুব আদরের, তাদের এই ভালোবাসা আগলে রেখো সারা জীবন। তোমার জীবনে একটাই অভাব থাকবে তোমার ঠাকুমা। শুভ জন্মদিন মা।’
২০-র কোঠা টপকাতে না টপকাতেই মাতৃত্ব আসে অহনার জীবনে। তবে এই অল্প বয়সে অহনাকে আগলে রাখতে ছিলেন না মা চাঁদনী। এমনিতেই বাবা-মায়ের ডিভোর্সের পর, মায়ের কাছেই বড় হয়ে ওঠেন অহনা। এমনকী, নাচের রিয়েলিটি শো ডান্স বাংলা ডান্সেও ভাগ নিয়েছিলেন একত্রে। তবে এরপর প্রথম ধারাবাহিক অনুরাগের ছোঁয়া-তে কাজ করার সময় প্রেমে পড়েন অহনা। সিরিয়ালের মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্কর রায়কে ভালোবেসে ফেলেন। আর এই প্রেমেরই বিরোধে ছিলেন চাঁদনী। ফলে মা-মেয়ের দূরত্ব বাড়ে।
{{/usCountry}}২০-র কোঠা টপকাতে না টপকাতেই মাতৃত্ব আসে অহনার জীবনে। তবে এই অল্প বয়সে অহনাকে আগলে রাখতে ছিলেন না মা চাঁদনী। এমনিতেই বাবা-মায়ের ডিভোর্সের পর, মায়ের কাছেই বড় হয়ে ওঠেন অহনা। এমনকী, নাচের রিয়েলিটি শো ডান্স বাংলা ডান্সেও ভাগ নিয়েছিলেন একত্রে। তবে এরপর প্রথম ধারাবাহিক অনুরাগের ছোঁয়া-তে কাজ করার সময় প্রেমে পড়েন অহনা। সিরিয়ালের মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্কর রায়কে ভালোবেসে ফেলেন। আর এই প্রেমেরই বিরোধে ছিলেন চাঁদনী। ফলে মা-মেয়ের দূরত্ব বাড়ে।
{{/usCountry}}মাত্র ১৯ বছরেই মা-কে ছেড়ে দীপঙ্করের হাত ধরে ঘর ছাড়েন অহনা। শুরু হয় লিভ ইন। এরপর বিয়ে করেন। একদম ঘরোয়া আয়োজনে আইনি বিয়ে হয়। সেই সয়টা অহনাকে আগলে রেখেছিলেন দীপঙ্করের মা। তবে তিনিও চলে যান আচমকাই।
আপাতত শ্বশুর, ননদ, ননদাইদের নিয়ে গুছিয়ে সংসার করছেন অহনা। কাজের জন্য লম্বা সময় থাকতে হয় বাড়ির বাইরে। সেইসময় মীরাকে সামলান দীপঙ্করের বাবা ও ন্যানিরা। শ্যুটের মাঝে একটু সময় পেলেও ছুটে চলে আসেন সন্তানের কাছে। কাজের সূত্রে, আপাতত তারে ধরি ধরি মনে করি মেগাতে নেটিবাচক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অহনা দত্তকে।