বর্ষা আসতে না আসতেই উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি বেশ খারাপ। বিগত দু দিন ধরে একের পর এক বিপর্যয়ের খবর সামনে আসছে। এরই মাঝে একরত্তি মেয়েকে নিয়ে নর্থ বেঙ্গলে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলে অভিনেত্রী অহনা দত্ত। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করে জানালেন, তড়িঘড়ি ফিরছেন কলকাতায়।

অহনাকে বলতে শোনা গেল, ‘অনেকেই জিজ্ঞাসা করছে, কেমন আবহাওয়া। দেখে নাও নিজেরাই। ভীষণ কুয়াশা। আমাদের কালকে চেক আউট করার কথা ছিল। আমরা আজকেই চেক আউট করে নিচ্ছি। আর থাকছি না। কারণ বিভিন্ন জায়গায় ধশ নামার কথা আসছে। আমরা সেফ আছি। আমরা একটা বাসের টিকিট বুক করেছি শিলিগুড়ি থেকে। তাতে করেই ফিরে আসছি। এখনই নেমে আসছি শিলিগুড়িতে’।
অহনাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘যারা জিজ্ঞাসাকরছ, এখনই আসবে কি না! বলব একটু অপেক্ষা করে যাও। বিভিন্ন জায়গায় ধসের খবর। বলা যায় না, কখন কোন রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। বেকার ঘোরাটাও হবে না। তাই বলব আরেকটু অপেক্ষা করে যাও।’
জানা গিয়েছে যে, টানা বৃষ্টির জেরে কার্শিয়াং-এর কাছে ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কে বড়সড় ধস নেমেছে। ধস বিপর্যয়ের জেরে পাহাড়ের এই লাইফলাইন কার্যত স্তব্ধ। নদীগুলির জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় দুধিয়া এলাকায় একটি অস্থায়ী সেতু জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছে। আর সেতু ভেঙে যাওয়ায় শিলিগুড়ির সঙ্গে মিরিকের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এখন মিরিক থেকে ঘুরপথে ঘুম হয়ে শিলিগুড়ি যাতায়াত করতে হবে। আপাতত বিক্ষিপ্তভাবে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে। উত্তরবঙ্গে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা!
একইসঙ্গে ফুঁসছে বালাসন নদী। তিস্তা, তোর্সা-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীতে জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বাড়তে শুরু করেছে। অহনাকে সাবধানে জলদি ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘খুব সাবধানে এসো’। আরেকজন লেখেন, ‘আমরা এই বুধবার যেতাম দার্জিলিং, ওই ধসের ঘটনা শুনে টিকিট ক্যান্সেল করে দিলাম’। আরেকজন আবার লিখলেন, ‘সাবধানে মীরাকে নিয়ে ফিরে এসো।’