সবে হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন ঐন্দ্রিলার বাবা,অসুস্থ মাও, চিন্তায় দিন কাটছে দিদি ঐশ্বর্যর

২০২২ সালের ২০ নভেম্বর মাত্র ২৪ বছর বয়সে চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে যান ঐন্দ্রিলা শর্মা। ছোট মেয়েকে হারিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রীর বাবা-মা। যদিও কিছুদিন আগে বড় মেয়ে ঐশ্বর্যের বিয়েতে কিছুটা সামলে উঠেছিলেন তাঁরা। 

Published on: Mar 21, 2026, 20:53:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২২ সালের ২০ নভেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে যান ঐন্দ্রিলা শর্মা। ছোট মেয়েকে হারিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রীর বাবা-মা। যদিও কিছুদিন আগে বড় মেয়ে ঐশ্বর্যের বিয়ে উপলক্ষে কিছুটা সামলে উঠেছিলেন তাঁরা। তবে আবারও নাকি দুজনেই হয়ে পড়েছেন অসুস্থ। বাবা মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন ঐশ্বর্য।

সবে হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন ঐন্দ্রিলার বাবা,অসুস্থ মা-ও, চিন্তায় ঐশ্বর্য
সবে হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন ঐন্দ্রিলার বাবা,অসুস্থ মা-ও, চিন্তায় ঐশ্বর্য

বাবা মায়ের স্বাস্থ্যের খবর দিতে আনন্দবাজার ডট ইনকে ঐশ্বর্য জানান, কিছুদিন আগেই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে উত্তম শর্মা অর্থাৎ ঐন্দ্রিলা এবং ঐশ্বর্যের বাবাকে। বেশ কিছুদিন ধরেই বুকে ব্যথা হচ্ছিল তাঁর। অ্যাঞ্জিয়োপ্লাস্টি করার পর জানা যায় হার্টের ৮০ শতাংশ ব্লক, এরপরই তড়িঘড়ি বসানো হয় স্টেন্ট।

আরও পড়ুন: সিনেমা নিয়ে বিতর্ককে পাশে রেখে এবার বড় সিদ্ধান্ত জীতুর, কোন পদক্ষেপ নিলেন তিনি?

ঐশ্বর্য আরও জানান, শরীর ভালো না থাকা সত্ত্বেও উত্তমবাবু বেশিদিন হাসপাতালে থাকতে চাননি। দুইদিন পরে চিকিৎসকরা তাঁকে ছেড়ে দেন। যেহেতু শিখা শর্মা অর্থাৎ ঐন্দ্রিলা এবং ঐশ্বর্যের মায়ের শরীর একেবারেই ভালো নয়, তাই স্ত্রীর দেখাশোনা করার জন্যই তিনি তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে আসেন। যদিও তিনি নিজেও এখনও অসুস্থ। বুকে এবং কোমরে এখনও ব্যথা। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় রয়েছেন ঐশ্বর্য।

প্রসঙ্গত, দু'বার ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পরেও অবশেষে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ঐন্দ্রিলা। দীর্ঘদিন টেলিভিশনে কাজ করেছিলেন তিনি, হয়ে উঠেছিলেন দর্শকদের প্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন।

আরও পড়ুন: ঋষিকে শাস্তি দিতে তৎপর নিশা, উজি কী পারবে স্বামীকে বাঁচাতে?

বাস্তব জীবনে সব্যসাচী চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন ঐন্দ্রিলা। অভিনেত্রীর শেষ সময় পর্যন্ত সব্যসাচী ঐন্দ্রিলার পাশে ছিলেন। ঐন্দ্রিলার মারা যাওয়ার পরেও যে সেই পারিবারিক সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ছেদ পড়েনি, সেটা ঐশ্বর্যের বিয়ের ছবি দেখেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

অন্যদিকে ঐশ্বর্য পেশায় একজন দক্ষ সার্জেন। ঐশ্বর্যের স্বামী দিব্যজিৎ দত্ত-ও চিকিৎসা জগতের মানুষ। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আইনিভাবে বিয়ে ছাড়েন ঐন্দ্রিলার দিদি ঐশ্বর্য। সবার মুখে হাসি থাকলেও ভেতরে ভেতরে সকলে অনুভব করেছিলেন ঐন্দ্রিলার অনুপস্থিতি।