বয়স তো কেবল একটা সংখ্যা মাত্র, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। জীবনের আটটি দশক পার করে এসেও তাঁর মধ্যে কোনো ক্লান্তি নেই। বরং আজও তিনি নতুন কিছু শেখার জন্য ততটাই উন্মুখ, যতটা কেরিয়ারের শুরুর দিনে ছিলেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জীবনের দর্শন নিয়ে বলতে গিয়ে অমিতাভ জানান, শেখার কোনো শেষ নেই এবং জীবনই হলো সবথেকে বড় শিক্ষক।

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লার্নিং:
অমিতাভ বচ্চন বলেন, 'আমি আজও নিজেকে একজন ছাত্র মনে করি। অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেন, এই বয়সে এসেও কেন এত পরিশ্রম করি? তাঁদের উদ্দেশে আমার একটাই কথা—যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণই নতুন কিছু শেখার আছে। যে দিন মানুষ ভাববে সে সব শিখে ফেলেছে, সে দিনই তাঁর পতন শুরু হয়।' ৮৩ বছর বয়সেও তাঁর এই ‘লার্নিং এটিটিউড’ অবাক করে দেয় অনেককেই।
টেকনোলজি ও নতুন প্রজন্মের সাথে তাল মিলিয়ে চলা:
বিগ বি সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ সক্রিয়। ব্লগ লেখা থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা নতুন টেকনোলজি—সব কিছু নিয়েই তিনি চর্চা করেন। তিনি মনে করেন, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে নতুনকে আপন করে নিতেই হবে। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের থেকেও তিনি অনেক কিছু শেখেন বলে অকপটে স্বীকার করেন।
কাজের প্রতি নিষ্ঠা:
আজও শুটিং সেটে সবার আগে পৌঁছান অমিতাভ। নিখুঁতভাবে শট দেওয়ার জন্য আজও সমান পরিশ্রম করেন। সম্প্রতি তাঁর নতুন প্রজেক্টগুলোতেও তাঁর অভিনয়ের ধার একবিন্দু কমেনি। তাঁর মতে, অভিনয়ের প্রতিটি মুহূর্ত তাঁকে নতুন কিছু শেখায়, প্রতিটি চরিত্র তাঁকে নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে।
{{/usCountry}}আজও শুটিং সেটে সবার আগে পৌঁছান অমিতাভ। নিখুঁতভাবে শট দেওয়ার জন্য আজও সমান পরিশ্রম করেন। সম্প্রতি তাঁর নতুন প্রজেক্টগুলোতেও তাঁর অভিনয়ের ধার একবিন্দু কমেনি। তাঁর মতে, অভিনয়ের প্রতিটি মুহূর্ত তাঁকে নতুন কিছু শেখায়, প্রতিটি চরিত্র তাঁকে নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে।
{{/usCountry}}অনুপ্রেরণার নাম অমিতাভ:
জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত, অসুস্থতা কিংবা বয়সের ভার—কোনো কিছুই দমাতে পারেনি এই মানুষটিকে। অমিতাভের এই জীবনদর্শন কেবল অভিনেতাদের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের কাছেও এক বড় বার্তা। তিনি শিখিয়ে দিলেন, বয়স বেড়ে যাওয়া মানেই থেমে যাওয়া নয়, বরং নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার নামই হলো জীবন।