বলিউডের মহানায়ক অমিতাভ বচ্চন আজকের দিনে পরিচয়ের অপেক্ষায় নেই। তার কেরিয়ারে তিনি যে উচ্চতা অর্জন করেছেন, সেটি পেতে পারেনি সবাই। বহু ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র উপহার দেওয়া অমিতাভের ভক্ত ভারতই নয়, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে। কিন্তু আপনি কি জানেন, এক সময় এমন ছিল যখন মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে মিশরে তার সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল? এর পেছনের কারণ আপনাকে অবাক করে দিতে পারে।

অমিতাভ বচ্চনের জন্য উন্মাদনা ইন্টারনেটের যুগের পূর্বেও ছিল। তার জনপ্রিয়তা ভারতেই নয়, বিদেশের মাটিতেও ছিল। মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে মিশরে আমিতাভের প্রতি এমন উন্মাদনা ছিল যে, সেখানকার সরকার এই নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এবং অভিনেতার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ১৯৮০-এর দশকে অমিতাভ বচ্চন শুধুমাত্র ভারতেই নয়, বরং মিশরে সুপারস্টার হয়ে উঠেছিলেন।
মিশরে আমিতাভের সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা
অমিতাভ বচ্চনের সিনেমার প্রতি উন্মাদনা এতটাই ছিল যে, দর্শকরা তাঁর সিনেমা দেখার জন্য দীর্ঘ লাইন ধরত। অন্যদিকে, সেখানে মিশরের স্থানীয় সিনেমা হলে একটি নিরবতা বিরাজ করত। সিনেমার অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে সেখানকার সরকার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় বিশেষ করে অমিতাভ বচ্চনের সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে যাতে তাদের স্থানীয় শিল্পকে উন্নতি করা যায়।
থিয়েটারে লুকিয়ে দেখতেন মানুষ
অমিতাভ বচ্চনের সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরও সেখানকার মানুষ থেমে থাকেনি। তারা তাঁর সিনেমাগুলোকে স্থানীয় ছোট থিয়েটারে চুরির মাধ্যমে দেখাতে শুরু করে। আপনি জানলে অবাক হবেন যে, যাদের কাছে টেপ রেকর্ডার ছিল না, তাঁরা প্রতি বৃহস্পতিবার একটি ক্যাফেতে জমায়েত হয়ে অমিতাভের গানের সুর শোনাত।