মুম্বইয়ের অপ্রতিরোধ্য বর্ষায় শহরের বিভিন্ন এলাকা কার্যত জলমগ্ন। প্রবল বৃষ্টির জেরে রাস্তাঘাটে জল জমার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন বহু বাসিন্দা। এবার সেই প্রভাব পড়েছে অমিতাভ বচ্চনের জুহুর ঐতিহাসিক বাংলো 'জলসা'-তেও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, বাড়ির বাইরে হাঁটুসমান জল জমে রয়েছে। কোথাও আবার বন্ধ নর্দমার কারণে জল উপচে পড়ে বাড়ির চত্বরেও ঢুকে যাচ্ছে। সপ্তাহান্তে টানা বৃষ্টির জেরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে চর্চা

ভিডিয়োগুলি সামনে আসতেই নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতার বাড়ির বাইরের এমন জলমগ্ন পরিস্থিতি দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে মুম্বইয়ের বর্ষাকালীন পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
এখনও নীরব অমিতাভ বচ্চন
'জলসা'র বাইরে জল জমা বা ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োগুলি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি অমিতাভ বচ্চন। তবে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ব্লগে একটি নতুন পোস্ট করেছেন, যেখানে মুম্বইয়ের বৃষ্টির বদলে লিখেছেন চলমান ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে।
বিশ্বকাপ নিয়েই ব্যস্ত বিগ বি
নিজের ব্লগে অমিতাভ লিখেছেন, ভারতের দর্শকদের জন্য বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি গভীর রাতে সম্প্রচার হওয়ায় তা দেখা কঠিন হলেও প্রকৃত ফুটবলপ্রেমীরা সেই কষ্ট স্বীকার করেন। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, এবারের বিশ্বকাপে অনেক শক্তিশালী দল বিদায় নিচ্ছে এবং অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত দলগুলি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছে। তাঁর মতে, অবহেলা ও অপমানের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে সাফল্য অর্জনই প্রকৃত দৃঢ়তার পরিচয়, আর সেই সাফল্যের পরও নম্র থাকা একজন মানুষের প্রকৃত মহত্ত্বের প্রকাশ।
{{/usCountry}}নিজের ব্লগে অমিতাভ লিখেছেন, ভারতের দর্শকদের জন্য বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি গভীর রাতে সম্প্রচার হওয়ায় তা দেখা কঠিন হলেও প্রকৃত ফুটবলপ্রেমীরা সেই কষ্ট স্বীকার করেন। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, এবারের বিশ্বকাপে অনেক শক্তিশালী দল বিদায় নিচ্ছে এবং অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত দলগুলি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছে। তাঁর মতে, অবহেলা ও অপমানের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে সাফল্য অর্জনই প্রকৃত দৃঢ়তার পরিচয়, আর সেই সাফল্যের পরও নম্র থাকা একজন মানুষের প্রকৃত মহত্ত্বের প্রকাশ।
{{/usCountry}}বিগ বি ব্লগে লেখেন, ‘ভারতের দর্শকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপ দেখার সময়টা অনেক দেরিতে... অনেক দেরিতে... অনেক অনেক দেরিতে... কিন্তু একনিষ্ঠ অনুসারীরা দিনরাত পরিশ্রম করেন, যেমনটা আমিও করি... যা অনেকের বিরক্তির কারণ... আসলে... এই ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য যা সত্যিই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে তা হল, প্রত্যাশিত বিজয়ীদের বেশিরভাগই ধীরে ধীরে ছিটকে যাচ্ছে এবং কম পরিচিতরা দাপটের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে... এটা দেখা কী চমৎকার। পদদলিত হওয়া, কলঙ্কিত হওয়া, অপমানিত হওয়া, গুরুত্বহীন হিসেবে একপাশে ঠেলে দেওয়া... এবং তারপর... উঠে দাঁড়ানো, বিকশিত হওয়া, শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা, যারা আপনাকে ছোট করে দেখেছিল তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানো... এটাই হল আসল দৃঢ়তা... কিন্তু যারা আপনার সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করেছে, তাদের কখনো 'তিরস্কার' না করাই হলো মহত্ত্ব, নম্রতা এবং চরিত্রের স্বরূপ।’