অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন গত ৫৫ বছর ধরে চলচ্চিত্র জগতের অংশ। এখনও তিনি অনেক হিট হিট ছবি এবং গানও উপহার দিয়ে চলেছেন। এই বয়সেও অমিতাভ কাজ করতে উপভোগ করেন। তিনি সময় মতো সেটে আসেন। তাঁর সময় জ্ঞান এতটাই যে, রাত ৮টার পরে তাঁর বাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ৮টার পর ইন্ডাস্ট্রির কাউকেই তাঁর বাড়িতে আসতে দেওয়া হয় না। অভিনেতা রাজা বুন্দেলা সম্প্রতি এই বিষয়ে কথা বলেছেন। অভিনেতা আরও জানিয়েছেন যে কীভাবে অমিতাভ তাঁর ছেলেকে গোয়া থেকে মুম্বই পাঠিয়ে আবার মুম্বই থেকে গোয়ায় তাঁর জুতো আনিয়েছিলেন ছবির একটি দৃশ্য সম্পূর্ণ করার জন্য।

রাজা বুন্দেল সম্প্রতি ডিয়ার জেনারেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বচ্চন সম্পর্কে নানা কথা বলেছেন। অভিনেতা জানিয়েছেন যে, তিনি বিগবির সঙ্গে কাজ করতে উপভোগও করেন। তাঁরা একসঙ্গে একটি ছবিতে কাজও করেছিলেন। অমিতাভ নাকি তাঁর সমস্ত সংলাপ মুখস্থ করে সেটে আসতেন।
রাজার কথায়, ‘একবার, আমরা গোয়ায় শ্যুটিং করছিলাম। অমিতজী বুঝতে পারলেন যে তিনি মুম্বইয়ের বাড়িতে তাঁর জুতোটি রেখে এসেছেন। সেই জুতোটা একটা দৃশ্যের জন্য প্রয়োজন ছিল। কারণ অভিনেতা আগের দৃশ্যে ওই একই জুতো পরেছিলেন। আর এই দুটি দৃশ্যের পরস্পরের সঙ্গে যোগ ছিল। তাই, দৃশ্যটার অভিনয়ের জন্য অভিনেতার একই জুতোর প্রয়োজন ছিল।’
রাজা আরও জানান যে, এই দৃশ্যে, অমিতাভের চরিত্রটি ক্ষুধার্ত হিসেবে দেখানো হয়েছিল। ওই দৃশ্যে দেখা যাবে সে মাটিতে পড়ে থাকা একটা আপেল তুলে খাবে। এই দৃশ্যে তাঁর পা-ও দেখা যাবে। তাই জুতো অন্য হলে হবে মুশকিল। কিন্তু সেই সময়, গোয়া থেকে মুম্বই যাওয়ার কোনও বিমানও ছিল না। অন্যদিকে, সেটের পরিবেশ এমন ছিল যে পরের দিন শ্যুটিং হওয়া বেশ মুশকিলের ছিল। কারণ কিছু করার নেই দেখে, সেটে থাকা সকলেই প্রায় মদ্যপান শুরু করেন।
{{/usCountry}}রাজা আরও জানান যে, এই দৃশ্যে, অমিতাভের চরিত্রটি ক্ষুধার্ত হিসেবে দেখানো হয়েছিল। ওই দৃশ্যে দেখা যাবে সে মাটিতে পড়ে থাকা একটা আপেল তুলে খাবে। এই দৃশ্যে তাঁর পা-ও দেখা যাবে। তাই জুতো অন্য হলে হবে মুশকিল। কিন্তু সেই সময়, গোয়া থেকে মুম্বই যাওয়ার কোনও বিমানও ছিল না। অন্যদিকে, সেটের পরিবেশ এমন ছিল যে পরের দিন শ্যুটিং হওয়া বেশ মুশকিলের ছিল। কারণ কিছু করার নেই দেখে, সেটে থাকা সকলেই প্রায় মদ্যপান শুরু করেন।
{{/usCountry}}কিন্তু পরের দিন সকাল ৭টা বেজে ৩০ মিনিটে অমিতাভ সেটে হাজির হন, মেকআপ করে। এই অবস্থায় স্বাভাবিক ভাবেই সেই সময় কেউ তাঁর কাছে যেতে সাহস করেনি। পরিচালক বা প্রযোজক সকলেই তাঁর কাছাকাছি ছিলেন, কিন্তু কাছে যাওয়ার সাহস তাঁদের ছিল।
পরে জানা যায় যে, অমিতাভ বচ্চন রাতারাতি জুতোর সমস্যাও সমাধান করে ফেলেছেন। তিনি বাসে করে ছেলেকে গোয়া পাঠিয়েছিলেন এবং তিনি জুতো নিয়ে বিমানে ফিরে আসেন। আর তারপর সেই রাতেই অমিতাভ পরিচালক তিন্নু আনন্দকে ফোন করে শ্যুটিং শুরু করতে বলেন।
আরও পড়ুন: প্রাক্তন দেবের সঙ্গে ছবিতে জুটি বাঁধবেন স্ত্রী শুভশ্রী, 'অতীত নিয়ে…', যা বললেন স্বামী রাজ
রাজা আরও জানান যে, তিনি শুনেছেন যে রাত ৮টার পরে নাকি অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে ইন্ডাস্ট্রির সকলের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই সময়ের পরে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় তাঁর বাড়ির। অভিনেতা এভাবেই তাঁর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখেন।