...
...
Next Story

Anik-Sandhi Divorce: ২৫তম বিবাহবার্ষিকীতে ফের বিয়ে, তিন বছর পরেই ডিভোর্স! কেন আলাদা হন অনীক-সন্ধি?

২৫ত বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রী সন্ধি দত্তের সিঁথিতে দিয়েছিলেন সিঁদুর। কিন্তু বছরখানেক পরেই ছন্দপতন। ডিভোর্স হয় অনীর দত্তের। কেন ভেঙেছিল ২৮ বছরের দাম্পত্য?

Published on: May 27, 2026, 19:16:31 IST
Advertisement

পরিচালক অনীক দত্তের মৃত্যুর খবর নাড়িয়ে দিয়েছে সকলকে। ভূতের ভবিষ্যত, অপরকাজিত, যত কাণ্ড কলকাতাতেই-এর মতো হিট ছবি উপহার দেওয়া অনীকের জীবনের শেষটা যে এমন ভয়াবহ হবে, তা কেউই ভাবতে পারেননি। হিন্দুস্তান পার্কের একটি বহুতলের ছাদ থেকে তিনি মরণঝাঁপ দেন বলেই মনে করা হয়েছে প্রাথিক তদন্তে। সেই আবাসনে থাকতেন পরিচালকের প্রাক্তন স্ত্রী। বুধবার তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অনীক। সূত্রের খবর, দেখা করতে অস্বীকার করেন সন্ধি দত্ত। এরপর সোজা ছাদে উঠে যান পরিচালক।

কেন ভাঙে অনীক দত্তের দাম্পত্য।
কেন ভাঙে অনীক দত্তের দাম্পত্য।

বছরখানেক আগে ডিভোর্স হয় অনীক ও সন্ধির। দুজনের বিবাহিত জীবন ছিল ২৮ বছরের। এমনকী, ২৫ বছরের বিয়ের দিন মাথায় টোপর পরেছিলেন অনীক, সন্ধির সিঁথিতে সিঁদুরও দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁদের ছাড়াছাড়ি খবর আসে। জানা যায়, ছাদও আলাদা হয়েছে। তবে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। বরং ব্যাক্তিগত বিষয় গোপন রাখারই আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। যিনি চাকরি সূত্রে থাকেন কলকাতায়।

২৫ বছরের বিবাহবার্ষিকী নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন অনীক। লিখেছিলেন, ‘আমাদের ২৫ বছরের বিবাহবার্ষিকীতে নিছক বন্ধুদের অনুরোধে এমন কাজ করতে হল, যা আমি আমার নিজের বিয়েতেও করিনি। আমাকে পরতে হল টোপর। স্ত্রীর সিঁথিতে সিঁদুরও পরাতে হয়েছে। সেই সিঁদুর… যা কিনা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের অংশ…।’

এখনো ধোঁয়াশা কাটছে না! দীর্ঘসময় ধরে যে অনীকের অবসাদের চিকিৎসা চলছিল তা জানিয়েছেন তাঁর ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা। তবে তিনি যে এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন, তা বোধহয় কেউ দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি।

বুধবারই অনীক দত্তের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে৷ তারপর হয়তো মরদেহ তুলে দেওয়া হবে পুলিশের হাতে। হাসপাতালে অনীককে দেখতে ছুটে আসেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, মানসী সিনহা, দেবলীনা দত্ত, জীতু কমলরা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe