বুধবার না ফেরার দেশে পাড়ি জমান পরিচালক অনীক দত্ত। প্রাথমিক রিপোর্ট হিসেবে জানা গিয়েছে যে, হিন্দুস্তান পার্কের বহুতল আবাসনের ছাদ থেকে ঝাঁপ মারেন পরিচালক। দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন অবসাদে। একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গিয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকেলেই ময়না দতন্ত হয়ে গিয়েছে। তবে পরিবারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অনীক দত্তের শেষকৃত্য হচ্ছে না আজ, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার। কারণ অনীকের একমাত্র কন্যা থাকেন বিদেশে। আর ঐশীর দেশে ফেরার অপেক্ষা চলছে। মেয়ে কলকাতায় এসে পৌঁছলেই শেষ যাত্রার চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হবে। খুব সম্ভবত শুক্রবারই হবে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ পরিচালকের শেষকৃত্য।
সঙ্গে সামান্য রদবদলও করা হয়েছে শেষকৃত্যের পরিকল্পনায়। প্রথমে জানা গিয়েছিল যে, প্রথমে মরদেহ রাখা হবে নন্দনে। যাতে বাংলা সংস্কৃতি জগত, অনীকের অনুরাগী-দর্শকরা এসে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন। তবে এখন খবর, কিংবদন্তি সত্যজিৎ রায়ের বাড়িতেই রাখা থাকবে অনীক দত্তের মরদেহ।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, পরিচালকের দেহে ও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। বাঁ দিকের মাথার খুলির হাড় ভেঙে যায়। বাঁ দিকের পাঁজর ও কোমরেও গুরুতর চোট লাগে, এমনকি বাঁ পায়েও মারাত্মক আঘাত পান তিনি। এছাড়া, মুখ, পিঠ ও কোমরের বাঁ দিকে তীব্র ঘর্ষণের চিহ্ন মিলেছে। প্রাথমিক রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাঁর ফুসফুসে রক্ত জমাট বেঁধেছিল। জানা গিয়েছে, চারতলার ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার সময় আবাসনের পাশের গাছের ডাল ভেঙে মাটিতে আছড়ে পড়েন পরিচালক।
মরণঝাঁপ দেওয়ার আগে মেয়ের জন্য একটি চিঠিও লিখে যান পরিচালক। যা সুইডেন থেকে ঐশী কলকাতায় ফেরার পর তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে। তবে সেই চিঠির একটি বয়ান সামনে এসেছে, যেখানে তিনি স্পষ্ট করেছেন, কাউকে দোষ দেওয়া হয়নি তাঁর মৃত্যুতে। একটি ম্যাগাজিনের মধ্যে একটি খাম থেকে মিলেছে সেই নোট। সিসিটিভিতে পুরো ঘটনাটি দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}মরণঝাঁপ দেওয়ার আগে মেয়ের জন্য একটি চিঠিও লিখে যান পরিচালক। যা সুইডেন থেকে ঐশী কলকাতায় ফেরার পর তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে। তবে সেই চিঠির একটি বয়ান সামনে এসেছে, যেখানে তিনি স্পষ্ট করেছেন, কাউকে দোষ দেওয়া হয়নি তাঁর মৃত্যুতে। একটি ম্যাগাজিনের মধ্যে একটি খাম থেকে মিলেছে সেই নোট। সিসিটিভিতে পুরো ঘটনাটি দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}অনীকের এভাবে চলে যাওয়া এখনো মেনে নিতে পারছেন না তাঁর ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা। যদিও চোখে জল নিয়ে এখন বিদায় জানানোর পালা। মন না চাইলেও, বিদায় জানানো শুক্রবারই।