পরিচালক অনীক দত্তর প্রয়াণের পর থেকেই টলিপাড়ার অন্দরে নানা জল্পনা ও বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিশেষ করে অনীকের বান্ধবী পর্ণালী ধর চৌধুরীর স্মৃতিচারণ এবং তাঁকে নিয়ে বই লেখার ইচ্ছাপ্রকাশের পর গায়িকা পরমা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র যেভাবে পর্ণালীকে সুবিধাবাদী বলে আক্রমণ করেছিলেন, তা নিয়ে নেটপাড়া ছিল উত্তাল। সেই বিতর্কের রেশ ধরেই এবার মুখ খুললেন অনীক দত্তর প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি দত্ত। অনীক ও পর্ণালীর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নিজের স্পষ্ট ও পরিপক্ক মতামত জানালেন তিনি।

পর্ণালীকে নিয়ে টলিপাড়ার একাংশ যখন কাঁদা ছোড়াছুড়ি করছে, তখন অনীকের প্রাক্তন স্ত্রী হিসেবে অত্যন্ত সংযত ও সম্মানজনক অবস্থান নিয়েছেন সন্ধি দত্ত। তিনি আনন্দবাজার অনলাইনকে স্পষ্ট জানান, ‘পর্ণালি সম্পর্কে কিছুই জানি না। জানার আগ্রহও নেই। আমার বন্ধুরা ওদের ছবি দেখিয়েছে। এই পর্যন্তই।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেন আগ্রহ দেখাব? আমরা তো পরস্পরের থেকে বিচ্ছিন্ন। তার পরে ও কী করছে, সেই বিষয়ে কেন খবর রাখব?’ তবে অনীক দত্ত তাঁর কাছে ফিরতে চেয়েছিলেন সেই কথায় সিলমোহর দিয়েছেন সন্ধি।
পর্ণালী ধর চৌধুরী যে অনীক দত্তকে নিয়ে একটি বই লেখার পরিকল্পনা করছেন, সেই নিয়ে অনীক ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র-পরমা বন্দ্যোপাধ্যায়রা পর্ণালিকে সুবিধাবাদী তোপ দেগে জানিয়েছেন, অনীক দত্তর দুঃসময়ে নাকি পরিচালককে দূরে ঠেলে দিয়েছিলেন তিনি। ব্লক করে দিয়েছিলেন। তারপর এই ‘মেকি’ শোকজ্ঞাপন লাইমলাইটে আসবার চেষ্টা মাত্র।
টুটুলদি হিসেবে পরিচিত সন্ধি দত্তর এই পরিপক্ক ও শান্ত বয়ান যেন এই মুহূর্তে টলিপাড়ার বিতর্ককারীদের মুখে একপ্রকার ঝামা ঘষে দিল। শ্রীলেখা মিত্র যেখানে পর্ণালীকে পরজীবী বলে আক্রমণ করেছিলেন এবং টুটুলদির (সন্ধি) কষ্টের কথা তুলেছিলেন, সেখানে খোদ অনীকের প্রাক্তন স্ত্রী পর্ণালীকে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতেই না-রাজ। সন্ধির এই বক্তব্যের পর অনীক দত্তর প্রয়াণকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতিতে যে আপাতত ইতি পড়বে, এমনটাই মনে করছে টিনসেল টাউনের ওয়াকিবহাল মহল।
১৯৯৭ সালে বিয়ে সেরেছিলেন অনীক-সন্ধি। ২০২২ সালে এসে ফের মালাবদল সারেন। ২৫তম বিবাহবার্ষিকীর পর আচমকাই ছন্দপতন। ২০২৪ সালে আলাদা হন দুজনে। তারপরই পরিচালকের সঙ্গে পর্ণালির বন্ধুত্ব উঠে এসেছিল চর্চায়। যদিও সন্ধি স্পষ্ট বলেছেন, ‘আমাদের বিচ্ছেদ নিয়ে একটা শব্দও বলব না’। অনীক ও সন্ধির একমাত্র সন্তান ঐশী (রাই)।
{{/usCountry}}১৯৯৭ সালে বিয়ে সেরেছিলেন অনীক-সন্ধি। ২০২২ সালে এসে ফের মালাবদল সারেন। ২৫তম বিবাহবার্ষিকীর পর আচমকাই ছন্দপতন। ২০২৪ সালে আলাদা হন দুজনে। তারপরই পরিচালকের সঙ্গে পর্ণালির বন্ধুত্ব উঠে এসেছিল চর্চায়। যদিও সন্ধি স্পষ্ট বলেছেন, ‘আমাদের বিচ্ছেদ নিয়ে একটা শব্দও বলব না’। অনীক ও সন্ধির একমাত্র সন্তান ঐশী (রাই)।
{{/usCountry}}