সিসিটিভি ফুটেছে রয়েছে সব প্রমাণ, কারা ভাঙলো ঐন্দ্রিলা-অঙ্কুশের ছবির কাট আউট?

৯ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা অভিনীত ছবি নারী চরিত্র বেজায় জটিল। একেবারে কমেডি ঘরানার এই ছবিটি দেখে ইতিমধ্যেই ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সকলেই। কিন্তু ছবি মুক্তির ঠিক আগের দিন ঘটে যায় একটি আপত্তিকর ঘটনা।

Published on: Jan 10, 2026 12:25 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

৯ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা অভিনীত ছবি ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’। একেবারে কমেডি ঘরানার এই ছবিটি দেখে ইতিমধ্যেই ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সকলেই। কিন্তু ছবি মুক্তির ঠিক আগের দিন ঘটে যায় একটি আপত্তিকর ঘটনা।

কারা ভাঙলো ঐন্দ্রিলা-অঙ্কুশের ছবির কাট আউট?
কারা ভাঙলো ঐন্দ্রিলা-অঙ্কুশের ছবির কাট আউট?

৮ জানুয়ারি নবীনা প্রেক্ষাগৃহের সামনে লাগানো অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলার বিশাল একটি কাট আউটকে ভাঙাচোরা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। খুব স্বাভাবিকভাবেই ছবি মুক্তির ঠিক একদিন আগে এই ঘটনা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি অঙ্কুশ।

আরও পড়ুন: 'ভিনি দিদি আকাশ থেকে…', বয়স সবে ১০ মাস, মেয়েকে কুকুরদের ভালোবাসার পাঠ দিচ্ছেন অনিন্দিতা

কাট আউটটি দেখলেই বোঝা যায়, এটি কোনও দুর্ঘটনা নয় বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কিন্তু কে বা কারা এই ঘটনা ঘটালো তা জানার জন্য পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন অঙ্কুশ। কারা এই ঘটনার পেছনে দায়ী, কেনই বা এই ঘটনা ঘটলো এই প্রসঙ্গে ছবির প্রিমিয়ারে মুখ খুললেন অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা।

ঐন্দ্রিলা বলেন, ‘ব্যাপারটা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে সিসিটিভি ফুটে জমা পড়েছে। সিসিটিভি ফুটেছে দেখা দিয়েছে তিন থেকে চার জন ব্যক্তি বাঁশ নিয়ে এই কাজ করেছে। তাদের প্রত্যেকের মুখে মাস্ক ছিল, তারা হয়তো আগে থেকেই জানত যে তাদের চিনতে পারলে সমস্যা হবে তাই আগে থেকেই সমস্ত ব্যবস্থা করে এসেছিল তারা।’

আরও পড়ুন: ‘২৭ স্তর ঝরিয়েছি ’আমি'-কে…', শ্রীচৈতন্য হয়ে ওঠার কাহিনি শোনালেন দিব্যজ্যোতি

অঙ্কুশ বলেন, ‘একটা ছবি যদি রাজনৈতিকভাবে সমস্যা তৈরি করত তাও না হয় মানা যেত কিন্তু এই ছবিটি শুধুই একটা বিনোদনমূলক ছবি। এই ছবির কাটআউট ভাঙ্গার কি মানে আছে আমি জানি না। যদি হল বন্ধ করে দিত তাও না হয় মারা যেত কিন্তু কাটআউট ভেঙে কি ক্ষতি করল বুঝতে পারলাম না। তবে হ্যাঁ, এটি তৈরি করতে যে পরিশ্রম হয়েছে সেই পরিশ্রমের ক্ষতি হলো এটুকু বলতে পারি।’

ঐন্দ্রিলা বলেন, ‘এইভাবে একটি ইন্ডাস্ট্রি কখনও দাঁড়াতে পারে না। এখানে যদি সবাই একে অপরের সাহায্য না করে তাহলে কিভাবে চলবে। আমরা কোনদিন এমন কথা ভাবতেই পারি না। আমাদের সঙ্গে যা ঘটলো তা সত্যি খুব দুর্ভাগ্যজনক।’