এই বছরের মার্চ মাসে হঠাৎ করেই খবর এসেছিল, ‘ডান্স বাংলা ডান্স’ খ্যাত খুদে শিল্পী রোদ্দুর চট্টোপাধ্যায় ফুসফুসের সংক্রমনে আক্রান্ত হয়েছে। তড়িঘড়ি করাতে হবে দুটি অপারেশন, যার জন্য লাগবে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় রোদ্দুরের মা এই পোস্ট করতেই ঝড়ের গতিতে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

রোদ্দুরের এই পোস্ট দেখে ডান্স বাংলা ডান্সের বহু সদস্য এগিয়ে এসেছিলেন সাহায্য করার জন্য। এগিয়ে এসেছিলেন জীতু কমলও। তবে যে মানুষটিকে রোদ্দুর দেখার জন্য অপেক্ষা করেছিল তিনি হলেন অঙ্কুশ হাজরা। অঙ্কুশ ডান্স বাংলা ডান্সের সঞ্চালনার কাজ করেছিলেন, যে সুবাদে রোদ্দুরের সঙ্গে একটা আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল অঙ্কুশের।
আরও পড়ুন: নিজেই চেয়েছিলেন বাড়ি যেতে, ‘বিগ বস বাংলা’ তাই বিদায় জানাল অনিন্দ্যকে
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে যখন ভিডিও কলে অঙ্কুশ রোদ্দুরকে দেখে তখন রোদ্দুর বলেছিল, তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। আর বিন্দুমাত্র অপেক্ষা করেননি অঙ্কুশ। পরেরদিনই ছোট্ট রোদ্দুরকে দেখতে চলে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। সেই ছোট্ট রোদ্দুর এখন পুরোপুরি সুস্থ। একটি অপারেশনের পরেই সে সুস্থ হয়ে উঠেছে।
অঙ্কুশ আর রোদ্দুরের এই ভালোবাসার কথা খুব সম্প্রতি আবার উঠে এল একটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে। ডিডি বাংলায় সম্প্রচারিত হওয়া একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবার রোদ্দুরের মা জানান যে কতটা সমস্যার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। উঠে আসে রোদ্দুর আর অঙ্কুশের ভালোবাসার সেই গল্প। সেই ভিডিওটি এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন অঙ্কুশ নিজেই।
অঙ্কুশ লেখেন, ৩৯ বছরে একবারও মনে হয়নি যে আমার জীবন সার্থক। কোনদিন ভাবি নি আমার উপস্থিতি কাউকে সব থেকে কঠিন সময় হাসাতে পারবে। প্রাণ ফিরে পাওয়ার অনুভূতি দেবে। তোর ভালবাসা নিঃস্বার্থ বাবু। তুই অনেক অনেক বড় হ। তোর এই ভিডিওটা দেখে ঠোঁটে হালকা হাসি আর চোখে অনেকটা জল এল। তোকে অনেক অনেক আশীর্বাদ করলাম আর আদর পাঠালাম।
আরও পড়ুন: 'আমি চাই সায়ক একটু শান্তি পাক', বিগ বসে যাওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিলেন স্যান্ডি
প্রসঙ্গত, রোদ্দুর এখন পুরোপুরি সুস্থ। যদিও ছেলের সঙ্গে হাসপাতালে কাটানো সেই বিভীষিকাময় দিন বার বার মনে আসে রোদ্দুরের মায়ের মনে। এখনও কথা বলতে গিয়ে চোখে জল আসে। কিন্তু রোদ্দুর হাসিমুখে জানায়, সে একদম ফিট অ্যান্ড ফাইন আছে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, রোদ্দুর এখন পুরোপুরি সুস্থ। যদিও ছেলের সঙ্গে হাসপাতালে কাটানো সেই বিভীষিকাময় দিন বার বার মনে আসে রোদ্দুরের মায়ের মনে। এখনও কথা বলতে গিয়ে চোখে জল আসে। কিন্তু রোদ্দুর হাসিমুখে জানায়, সে একদম ফিট অ্যান্ড ফাইন আছে।
{{/usCountry}}