এক সময় বলিউডের অন্যতম পরিচিত অভিনেত্রী হলেও প্রায় আট বছর হয়ে গেছে সেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন অনুষ্কা শর্মা। পরিবার সামলানোর পাশাপাশি এখন তিনি নিজেকে সঁপে দিয়েছেন ঈশ্বরের কাছে। অনেক আগেই ত্যাগ করেছেন আমিষ খাবার। অনুষ্কার পাশাপাশি বিরাট কোহলিও নিজের মধ্যে এনেছেন পরিবর্তন।

কাজ ছাড়া অনুষ্কা সব সময় গলায় পরে থাকেন তুলসীর কণ্ঠীমালা। হাতে থাকে রাধা জপ আংটি। নিজেদের একটা আলাদাই দুনিয়া তৈরি করেছেন অনুষ্কা আর বিরাট। এই তারকা জুটি যে কতটা ঈশ্বরপ্রেমী তার আরো একবার প্রমাণ পাওয়া গেল রবিবার। লক্ষ্মীপুজোর দিন মুম্বইয়ে আমেরিকান সংগীত শিল্পী কৃষ্ণ দাসের লাইভ কীর্তন দেখতে উপস্থিত ছিলেন বিরুস্কা।
আরও পড়ুন: ‘যেদিন থেকে ও এসেছে’, বিগ বসের বাড়িতে সুস্মিতার প্রিয় প্রতিযোগী কে?
অনুষ্ঠান থেকে যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, কৃষ্ণ দাসের এই কীর্তন অনুষ্ঠান শুনতে শুনতে তালি দিয়ে গলা মেলাচ্ছেন অনুষ্কা শর্মা। অন্যদিকে কীর্তন শুনতে শুনতে একেবারে বিভোর হয়ে যান কোহলি। তিনিও ধীরে ধীরে গানের সঙ্গে সুর মেলান। তবে এই প্রথমবার নয়, এর আগেও কৃষ্ণ দাসের কীর্তনে অংশ নিয়েছেন এই তারকা জুটি।
এছাড়া এই বছর জুলাই মাসে লন্ডনের ইউনিয়ন চ্যাপেলেও একটি প্রার্থনা সভায় যোগ দিতে দেখা যায় এই তারকা জুটিকে। বিদেশ হোক অথবা নিজের দেশ, বিভিন্ন আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে বিরাট অনুষ্কার এই উপস্থিতি বারবার এটাই প্রমাণ করে, তাঁরা এখন চাকচিক্যময় দুনিয়া থেকে নিজেদের অনেকটাই দূরে রাখছেন। নিজেদের সঁপে দিচ্ছেন আধ্যাত্মিক দুনিয়ায়।
{{/usCountry}}এছাড়া এই বছর জুলাই মাসে লন্ডনের ইউনিয়ন চ্যাপেলেও একটি প্রার্থনা সভায় যোগ দিতে দেখা যায় এই তারকা জুটিকে। বিদেশ হোক অথবা নিজের দেশ, বিভিন্ন আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে বিরাট অনুষ্কার এই উপস্থিতি বারবার এটাই প্রমাণ করে, তাঁরা এখন চাকচিক্যময় দুনিয়া থেকে নিজেদের অনেকটাই দূরে রাখছেন। নিজেদের সঁপে দিচ্ছেন আধ্যাত্মিক দুনিয়ায়।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকেও ভক্তদের দেখা দিলেন অমিতাভ, রবিবারে চেনা ছবি জলসায়
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিরাট এবং অনুষ্কাকে মাঝেমধ্যেই প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে যেতে দেখা যায়। প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে গিয়ে তাঁরা যে অপার শান্তি খুঁজে পান, এ কথা বারবার স্বীকার করেছেন তারকা দম্পতি।
কৃষ্ণ দাস সম্পর্কে
কৃষ্ণ দাস ১৯৭০ সালে ভারতে ভ্রমণ করেন এবং নিম করোলি বাবার একজন ঘনিষ্ঠ শিষ্য ও ভক্ত হয়ে ওঠেন। তিনি ভারতে বেশ কয়েক বছর কাটান, প্রধানত নিম করোলি বাবার আশ্রমগুলিতে, যার মধ্যে উত্তরাখণ্ডের পার্বত্য অঞ্চলের কাইঞ্চি ধামও ছিল। কৃষ্ণ দাসের দুটি ভক্তিগীতি, ‘সীতা রাম’ এবং ‘ওম নমঃ শিবায়’, ‘হনুমান অংশ’ চলচ্চিত্রেও ব্যবহৃত হয়েছিল।