...
...
Next Story

Aparajita Adhya: লক্ষ্মীর ভোগে এলোঝেলো মাস্ট,এবার অপরাজিতার ‘মা’ সেজেছেন ঘাগরা-চোলিতে, মেনুুতে থাকছে আর কী?

মা লক্ষ্মীর আরাধনায় ব্রতী অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। এই বছর কেমন সাজ তাঁর মায়ের? কী কী থাকছে ভোগের মেনুতে?

Published on: Oct 25, 2026, 19:00:25 IST
Advertisement

উমার বিদায়ে মন খারাপের রেশ কাটতে না কাটতেই মা লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে উঠেছে বাঙালি। প্রতি বছরের মতো এ বছরও কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে মেতে উঠেছেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Adhya)। দেবীপক্ষের সমাপ্তিতে ঘরোয়া পরিবেশেই ভক্তি ভরে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করেন তিনি। প্রতিমার সাজ থেকে শুরু করে ভোগ নিবেদন ও অতিথিদের আপ্যায়ন—পুজোর সব কাজ নিজ হাতেই পরিচালনা করেন এই অভিনেত্রী।

লক্ষ্মীর ভোগে এলোঝেলো মাস্ট,এবার অপরাজিতার ‘মা’ সেজেছেন ঘাগরা-চোলিতে, মেনুুতে থাকছে আর কী?
লক্ষ্মীর ভোগে এলোঝেলো মাস্ট,এবার অপরাজিতার ‘মা’ সেজেছেন ঘাগরা-চোলিতে, মেনুুতে থাকছে আর কী?

দেবীর বিশেষ সাজ ও গৃহসজ্জা:

নিজের হাতে প্রতিমা সাজানো: প্রতি বছরই মা লক্ষ্মীর রূপের বিশেষ যত্ন নেন অপরাজিতা। বাজার থেকে পছন্দসই পোশাক ও সাবেকি গয়না সংগ্রহ করে নিজেই বিগ্রহকে রূপদান করেন তিনি।

আলপনার নিখুঁত কারুকাজ আর ফুলের সুবাসে সেজে ওঠে অভিনেত্রীর বাড়ি। লাল বেনারসি ও সোনার গয়নায় ধনদেবীকে সাজিয়ে তোলার পাশাপাশি নিজের সাজেও সাবেকি বাঙালিয়ানার ছোঁয়া রাখেন তিনি। এই বছরে অপরাজিতার মা লক্ষ্মী সেজেছেন ঘাগরা-চোলি এবং সোনালি অলঙ্কারে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘মা নিজেই আমার হাত দিয়ে সব করান’। যোগ করলেন, ‘গত ২৯ বছরে আমি যখনই নিজে কিছু করতে গিয়েছি, মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করিয়েছেন’।

বিশেষ ভোগ ও প্রসাদ নিবেদন:

অপরাজিতা আঢ্যর বাড়ির লক্ষ্মীপুজোর মূল আকর্ষণ থাকে হরেক রকমের নৈবেদ্য ও বিশেষ ভোগ। সাবেকি নিয়ম মেনে গোবিন্দভোগ চালের খিচুড়ি, পাঁচমিশালি লাবড়া, নানা ধরনের ভাজাভুজি ও চাটনি নিবেদন করা হয়। ভোগ রান্নার দায়িত্বে মূলত থাকেন তাঁর শাশুড়ি মা।

পরিবার, আত্মীয় ও কাছের মানুষদের সান্নিধ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও আনন্দ ও ভক্তিপূর্ণ পরিবেশে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো সম্পন্ন করলেন অপরাজিতা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks