উমার বিদায়ে মন খারাপের রেশ কাটতে না কাটতেই মা লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে উঠেছে বাঙালি। প্রতি বছরের মতো এ বছরও কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে মেতে উঠেছেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Adhya)। দেবীপক্ষের সমাপ্তিতে ঘরোয়া পরিবেশেই ভক্তি ভরে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করেন তিনি। প্রতিমার সাজ থেকে শুরু করে ভোগ নিবেদন ও অতিথিদের আপ্যায়ন—পুজোর সব কাজ নিজ হাতেই পরিচালনা করেন এই অভিনেত্রী।

দেবীর বিশেষ সাজ ও গৃহসজ্জা:
নিজের হাতে প্রতিমা সাজানো: প্রতি বছরই মা লক্ষ্মীর রূপের বিশেষ যত্ন নেন অপরাজিতা। বাজার থেকে পছন্দসই পোশাক ও সাবেকি গয়না সংগ্রহ করে নিজেই বিগ্রহকে রূপদান করেন তিনি।
আলপনার নিখুঁত কারুকাজ আর ফুলের সুবাসে সেজে ওঠে অভিনেত্রীর বাড়ি। লাল বেনারসি ও সোনার গয়নায় ধনদেবীকে সাজিয়ে তোলার পাশাপাশি নিজের সাজেও সাবেকি বাঙালিয়ানার ছোঁয়া রাখেন তিনি। এই বছরে অপরাজিতার মা লক্ষ্মী সেজেছেন ঘাগরা-চোলি এবং সোনালি অলঙ্কারে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘মা নিজেই আমার হাত দিয়ে সব করান’। যোগ করলেন, ‘গত ২৯ বছরে আমি যখনই নিজে কিছু করতে গিয়েছি, মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করিয়েছেন’।
বিশেষ ভোগ ও প্রসাদ নিবেদন:
অপরাজিতা আঢ্যর বাড়ির লক্ষ্মীপুজোর মূল আকর্ষণ থাকে হরেক রকমের নৈবেদ্য ও বিশেষ ভোগ। সাবেকি নিয়ম মেনে গোবিন্দভোগ চালের খিচুড়ি, পাঁচমিশালি লাবড়া, নানা ধরনের ভাজাভুজি ও চাটনি নিবেদন করা হয়। ভোগ রান্নার দায়িত্বে মূলত থাকেন তাঁর শাশুড়ি মা।
শাশুড়ি মায়ের সঙ্গে মিলে নিজের হাতে নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু এবং ঘরোয়া মিষ্টি তৈরি করে দেবীর ভোগে অর্পণ করেন অভিনেত্রী। তবে সেরা আকর্ষণ থাকে এলোঝেলো। মূলত এটি একটি মিষ্টিজাতীয় পদ। সাধারণ ভাষায় যাকে আমরা জিভেগজা বলে থাকি।
{{/usCountry}}শাশুড়ি মায়ের সঙ্গে মিলে নিজের হাতে নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু এবং ঘরোয়া মিষ্টি তৈরি করে দেবীর ভোগে অর্পণ করেন অভিনেত্রী। তবে সেরা আকর্ষণ থাকে এলোঝেলো। মূলত এটি একটি মিষ্টিজাতীয় পদ। সাধারণ ভাষায় যাকে আমরা জিভেগজা বলে থাকি।
{{/usCountry}}পরিবার, আত্মীয় ও কাছের মানুষদের সান্নিধ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও আনন্দ ও ভক্তিপূর্ণ পরিবেশে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো সম্পন্ন করলেন অপরাজিতা।